ব্যবসায়ীর সঙ্গে অশ্লীল ছবি তুলে পরে ১০ লাখ টাকা দাবি, নারী গ্রেফতার
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় দায়ের করা পর্নোগ্রাফি মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৪)। গ্রেফতাররা হলেন সালমা আক্তার (৩৫) ও মো. মিজানুর রহমান কিরন (৪০)। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৪ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এন রায় নিয়তি। র্যাব-৪ জানায়, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে মিরপুরের ৬০ ফিট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। কে এন রায় নিয়তি বলেন, ভুক্তভোগী একজন ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে পারভেজ নামে এক আসামি রাজনৈতিক আলোচনার কথা বলে তাকে শেওড়াপাড়ায় একটি শোরুমের সামনে ডেকে নেয়। পরে তাকে একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকে থাকা অন্য আসামিরা ভুক্তভোগীকে একটি কক্ষে আটকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। একপর্যায়ে গ্রেফতার সালমা আক্তার নিজেই অশ্লীল পরিস্থিতি তৈরি করে এবং সেই সময়ের ছবি ও ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। পরে এসব ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীর কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। ভুক্তভোগী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা একটি হ
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় দায়ের করা পর্নোগ্রাফি মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৪)। গ্রেফতাররা হলেন সালমা আক্তার (৩৫) ও মো. মিজানুর রহমান কিরন (৪০)।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৪ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এন রায় নিয়তি। র্যাব-৪ জানায়, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে মিরপুরের ৬০ ফিট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
কে এন রায় নিয়তি বলেন, ভুক্তভোগী একজন ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে পারভেজ নামে এক আসামি রাজনৈতিক আলোচনার কথা বলে তাকে শেওড়াপাড়ায় একটি শোরুমের সামনে ডেকে নেয়। পরে তাকে একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে আগে থেকে থাকা অন্য আসামিরা ভুক্তভোগীকে একটি কক্ষে আটকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। একপর্যায়ে গ্রেফতার সালমা আক্তার নিজেই অশ্লীল পরিস্থিতি তৈরি করে এবং সেই সময়ের ছবি ও ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। পরে এসব ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীর কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়।
ভুক্তভোগী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তার অশ্লীল ছবি প্রকাশ করে। পাশাপাশি বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে তার কাছ থেকে টাকা আদায় করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে র্যাব-৪ গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
টিটি/এমএএইচ/
What's Your Reaction?