ব্যবসায়ীরা এখন নিরাপদে ব্যবসা করতে পারছেন, কেউ অযথা হয়রানি করছে না

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, আমরা সামাজিক উন্নয়ন ও বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। অতীতের সঙ্গে বর্তমানের পার্থক্য মানুষ আজ অনুভব করছে। এখন ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারছেন, কেউ অযথা হয়রানি করছে না। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার এলাকায় মিনি কোল্ড স্টোরেজ বিতরণ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, প্রকৃত কৃষকরা এসব কোল্ড স্টোরেজে আলু, বীজ, ডিমসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করতে পারবেন। এতে কৃষকদের মৌসুম শেষে কম দামে ফসল বিক্রি করতে হবে না। প্রয়োজন অনুযায়ী, ফসল সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করার সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে কৃষকের আয় বাড়বে এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে ড. মিলন বলেন, আমি কচুয়ার সন্তান। আওয়ামী দুঃশাসনের সময় মানুষ কীভাবে নির্যাতিত হয়েছে, তা আমি নিজ চোখে দেখেছি। সাচার বাজারে ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে কেউ মুখ খুলতে পারত না। এলাকার ডাকবাংলোটিও একসময় মাদকাসক্তদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছিল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা

ব্যবসায়ীরা এখন নিরাপদে ব্যবসা করতে পারছেন, কেউ অযথা হয়রানি করছে না

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, আমরা সামাজিক উন্নয়ন ও বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। অতীতের সঙ্গে বর্তমানের পার্থক্য মানুষ আজ অনুভব করছে। এখন ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারছেন, কেউ অযথা হয়রানি করছে না।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার এলাকায় মিনি কোল্ড স্টোরেজ বিতরণ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, প্রকৃত কৃষকরা এসব কোল্ড স্টোরেজে আলু, বীজ, ডিমসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করতে পারবেন। এতে কৃষকদের মৌসুম শেষে কম দামে ফসল বিক্রি করতে হবে না। প্রয়োজন অনুযায়ী, ফসল সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করার সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে কৃষকের আয় বাড়বে এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে ড. মিলন বলেন, আমি কচুয়ার সন্তান। আওয়ামী দুঃশাসনের সময় মানুষ কীভাবে নির্যাতিত হয়েছে, তা আমি নিজ চোখে দেখেছি। সাচার বাজারে ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে কেউ মুখ খুলতে পারত না। এলাকার ডাকবাংলোটিও একসময় মাদকাসক্তদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সৈকত দাস, উপজেলা উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মিয়াজী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মনির হোসেন, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি মিজান মোল্লা, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম সবু, সাধারণ সম্পাদক জহির সরকার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জুয়েলসহ স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

শরীফুল ইসলাম/কেএইচকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow