ব্যাংক ঋণ ও ধারের টাকায় মালদ্বীপ গিয়ে লাশ হলেন রবিন
জীবিকার তাগিদে ব্যাংক ঋণ ও ধার করা অর্থে প্রায় দুই বছর আগে পাড়ি জমিয়েছিলেন মালদ্বীপে। স্বপ্ন ছিল হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে পরিবারের ঋণ পরিশোধের পর বাড়ি নির্মাণ ও বিয়ে করার। কিন্তু একটি সিলিন্ডার বিস্ফোরণ কেড়ে নিল তরুণ রবিন মোল্লার সব স্বপ্ন। মালদ্বীপে ভয়াবহ এক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার এই প্রবাসী যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুতে গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নিহত রবিন মোল্লা ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার খোদেজা বাগ ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লা বাড়ির বাসিন্দা। তিনি মো. সিরাজ মোল্লা ও আরজু বেগমের ছেলে। জানা যায়, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে রাতের খাবার খেয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে ঘুমিয়ে পড়েন রবিন। রাত ২টার দিকে তাদের রুমে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে রবিন মোল্লাসহ রুমে থাকা আরও চারজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। প্রতিবেশী ও স্বজনরা জানান, ব্যাংক ঋণ ও ধার করা টাকায় প্রবাসে গিয়েছিলেন রবিন। নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে চলছিল তার পরিবার। ঋণ পরিশোধ করে দেশে ফিরে একটি ঘর নির্মাণ ও বিয়ে করার স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় তার সব স্বপ্নই মুহূর্তে শেষ হয়ে
জীবিকার তাগিদে ব্যাংক ঋণ ও ধার করা অর্থে প্রায় দুই বছর আগে পাড়ি জমিয়েছিলেন মালদ্বীপে। স্বপ্ন ছিল হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে পরিবারের ঋণ পরিশোধের পর বাড়ি নির্মাণ ও বিয়ে করার। কিন্তু একটি সিলিন্ডার বিস্ফোরণ কেড়ে নিল তরুণ রবিন মোল্লার সব স্বপ্ন।
মালদ্বীপে ভয়াবহ এক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার এই প্রবাসী যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুতে গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নিহত রবিন মোল্লা ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার খোদেজা বাগ ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লা বাড়ির বাসিন্দা। তিনি মো. সিরাজ মোল্লা ও আরজু বেগমের ছেলে।
জানা যায়, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে রাতের খাবার খেয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে ঘুমিয়ে পড়েন রবিন। রাত ২টার দিকে তাদের রুমে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে রবিন মোল্লাসহ রুমে থাকা আরও চারজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
প্রতিবেশী ও স্বজনরা জানান, ব্যাংক ঋণ ও ধার করা টাকায় প্রবাসে গিয়েছিলেন রবিন। নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে চলছিল তার পরিবার। ঋণ পরিশোধ করে দেশে ফিরে একটি ঘর নির্মাণ ও বিয়ে করার স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় তার সব স্বপ্নই মুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে।
রবিনের মৃত্যুর খবর শুনে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
নিহতের পরিবারের দাবি করেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে রবিন মোল্লার মরদেহ দেশে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের জন্য সরকারের কাছে সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
স্বজনরা জানান, শনিবার লাশ আনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমরা পাঠিয়েছি। আশা করি সরকারের সহযোগিতা পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা লাশ পাব।
চরফ্যাশন থানার ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, আমরা এমন একটি মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছি। যেহেতু বিদেশের ব্যাপার সেহেতু ডিসি অফিসের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
What's Your Reaction?