ব্রাজিল কোচকে ‘জ্ঞান দিতে’ পারবেন শুধু একজন, কে সে?
টানা ব্যর্থতায় প্রচলিত ধারা ভেঙে কার্লো আনচেলোত্তিকে কোচ করে ব্রাজিল। তিনিই সেলেসাওদের প্রথম বিদেশী কোচ। পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, যে কোনো বিশ্বকাপের ফেভারিট ব্রাজিলের কোচ সবসময়ই থাকেন হটসিটে। তবে আনচেলোত্তি আপাতত প্রশংসায় ভাসছেন, জাপানের বিপক্ষে তার ট্যাকটিক্সে মুগ্ধ সবাই। তবে ব্রাজিল পরের ম্যাচ হারলেই আবার শূলে চড়ানো হবে তাকে। আনচেলোত্তিও সেটা ভালো জানেন, এ কারণেই সমালোচনা বা প্রশংসা যা-ই হোক, সেসবে খুব একটা কান দেন না। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘ফোলিয়া দে সাও পাওলো’কে সম্প্রতিক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন আনচেলোত্তি। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল ব্রাজিলিয়ানরা কি কোচের চেয়েও ফুটবলটা বেশি বোঝেন? প্রশ্নটা শুনে ৬৭ বছর বয়সী এই মাস্টারমাইন্ডের উত্তর, এই গ্রহে কেবল একজন মানুষেরই আমার চেয়ে বেশি ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে; তিনি স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন, যিনি দুই হাজারের বেশি ম্যাচে ডাগআউটে ছিলেন। সবার পরামর্শ আমি অবশ্যই মাথা পেতে নিই, তবে আমাকে উপদেশ দেওয়ার মতো যোগ্য ব্যক্তি যদি কেউ থাকেন, তিনি শুধুই অ্যালেক্স ফার্গুসন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি ফুটবল বুঝি কি বুঝি না, তা আমার জানা নেই। তবে আমি ফুটবল বুঝি
টানা ব্যর্থতায় প্রচলিত ধারা ভেঙে কার্লো আনচেলোত্তিকে কোচ করে ব্রাজিল। তিনিই সেলেসাওদের প্রথম বিদেশী কোচ। পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, যে কোনো বিশ্বকাপের ফেভারিট ব্রাজিলের কোচ সবসময়ই থাকেন হটসিটে।
তবে আনচেলোত্তি আপাতত প্রশংসায় ভাসছেন, জাপানের বিপক্ষে তার ট্যাকটিক্সে মুগ্ধ সবাই। তবে ব্রাজিল পরের ম্যাচ হারলেই আবার শূলে চড়ানো হবে তাকে। আনচেলোত্তিও সেটা ভালো জানেন, এ কারণেই সমালোচনা বা প্রশংসা যা-ই হোক, সেসবে খুব একটা কান দেন না।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘ফোলিয়া দে সাও পাওলো’কে সম্প্রতিক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন আনচেলোত্তি। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল ব্রাজিলিয়ানরা কি কোচের চেয়েও ফুটবলটা বেশি বোঝেন? প্রশ্নটা শুনে ৬৭ বছর বয়সী এই মাস্টারমাইন্ডের উত্তর, এই গ্রহে কেবল একজন মানুষেরই আমার চেয়ে বেশি ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে; তিনি স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন, যিনি দুই হাজারের বেশি ম্যাচে ডাগআউটে ছিলেন। সবার পরামর্শ আমি অবশ্যই মাথা পেতে নিই, তবে আমাকে উপদেশ দেওয়ার মতো যোগ্য ব্যক্তি যদি কেউ থাকেন, তিনি শুধুই অ্যালেক্স ফার্গুসন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি ফুটবল বুঝি কি বুঝি না, তা আমার জানা নেই। তবে আমি ফুটবল বুঝি কি না, সেই বিচার করার অধিকারও কারও নেই। একটা বিষয় নিশ্চিত—আমি ১ হাজার ৪০০-এর বেশি ম্যাচের কৌশল সাজিয়েছি। ফুটবলকে পুরোপুরি বোঝার জন্য হয়তো এটাও যথেষ্ট নয়, তবে অভিজ্ঞতা হিসেবে মন্দ নয়!’
সেলেসাওদের ডাগআউটে এক বছর পূর্ণ করে ফেলেছেন আনচেলত্তি। লাতিন আমেরিকার ফুটবল-পাগল দেশটির মানুষ সম্পর্কে মূল্যায়ন জানতে চাওয়া হলে আনচেলোত্তি বলেন, ‘আমি এবারই প্রথম কার্নিভ্যালে গিয়েছিলাম। ব্রাজিলিয়ানরা আসলে কেমন, এই উৎসবটিই তার নিখুঁত উদাহরণ। তারা ভীষণ আনন্দপ্রিয়, একতাবদ্ধ, সুশৃঙ্খল এবং একই সঙ্গে অত্যন্ত বিনয়ী। আজ পর্যন্ত কোনো অহংকারী ব্রাজিলিয়ানের মুখোমুখি আমি হইনি। সত্যি বলতে, এমনটা মেলা ভার। আমার টেকনিক্যাল স্টাফ, ডাক্তার, ফিজিওথেরাপিস্টদের অনেকেই ব্রাজিলিয়ান। তাদের কেউই অহংকারী নন।’
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মঞ্চে আজ বাংলাদেশ সময় রাত দুইটায় নরওয়ের মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল। বাঁচা–মরার এই লড়াই নিয়ে বেশ সতর্ক কোচ বলেন, ‘বিশ্বকাপের এই পর্যায়ে প্রতিটি ম্যাচই কঠিন। নকআউট পর্বে কৌশল বা টেকনিকের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে মানসিক দৃঢ়তা। নরওয়ে ভালো দল, ওদের ভালো খেলোয়াড় আছে। হলান্ড এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। কাজটা সহজ হবে না, তবে আমরা আত্মবিশ্বাসী যে একটা দারুণ ম্যাচ উপহার দেব।’
এসকেডি/এমআইএইচএস/
What's Your Reaction?