ব্রাজিল দল থেকে অবসরের ইঙ্গিত দানিলোর
বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে ব্রাজিলের বিদায়ের পর, ফুলব্যাক দানিলো মনে করছেন যে ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে এটিই ছিল তার শেষ বড় কোনো টুর্নামেন্ট। ম্যাচ-পরবর্তী মিশ্র অঞ্চলে (মিক্সড জোন) কথা বলার সময় এই ফ্ল্যামেঙ্গো খেলোয়াড় জানান যে তিনি ‘সেলেসাও’দের (ব্রাজিল দলের) অন্যতম বড় সমর্থক হয়ে থাকবেন এবং মানুষকে তাদের স্বপ্নের পেছনে ছুটতে উৎসাহিত করেন। ব্রাজিল বনাম নরওয়ে ম্যাচের পর দানিলো বলেন, ‘আমার বয়স এবং ফুটবলের চাহিদার কথা বিবেচনা করলে এটি স্বাভাবিক। আমার বয়স ৩৫। আগামী সপ্তাহেই আমি এই বয়সে পা দেব। এখন থেকে আমি একজন সাধারণ সমর্থক হিসেবেই সবার আগে থাকব। আমি কৃতজ্ঞতায় পূর্ণ এবং ইতিবাচক বিষয়গুলোই মনে রাখতে চাই। নিজের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাসই আমাকে এই সুযোগগুলো এনে দিয়েছে। মানুষ যেন জীবনে অদম্য ও দৃঢ় থাকে।’ নরওয়েকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার ভালো সুযোগ ব্রাজিলের সামনে ছিল; কিন্তু তারা কার্যকর পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থ হয়। তাদের সবচেয়ে বড় সুযোগটি আসে প্রথমার্ধে, যখন খেলা গোলশূন্য অবস্থায় ছিল। ব্রুনো গিমারেসের নেওয়া পেনাল্টিটি নরওয়ের গোলরক্ষক নেইল্যান্ড আটকে দেন। নরওয়ে তাদের সুযোগগুলো বেশ দক্ষতার সাথে কাজ
বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে ব্রাজিলের বিদায়ের পর, ফুলব্যাক দানিলো মনে করছেন যে ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে এটিই ছিল তার শেষ বড় কোনো টুর্নামেন্ট। ম্যাচ-পরবর্তী মিশ্র অঞ্চলে (মিক্সড জোন) কথা বলার সময় এই ফ্ল্যামেঙ্গো খেলোয়াড় জানান যে তিনি ‘সেলেসাও’দের (ব্রাজিল দলের) অন্যতম বড় সমর্থক হয়ে থাকবেন এবং মানুষকে তাদের স্বপ্নের পেছনে ছুটতে উৎসাহিত করেন।
ব্রাজিল বনাম নরওয়ে ম্যাচের পর দানিলো বলেন, ‘আমার বয়স এবং ফুটবলের চাহিদার কথা বিবেচনা করলে এটি স্বাভাবিক। আমার বয়স ৩৫। আগামী সপ্তাহেই আমি এই বয়সে পা দেব। এখন থেকে আমি একজন সাধারণ সমর্থক হিসেবেই সবার আগে থাকব। আমি কৃতজ্ঞতায় পূর্ণ এবং ইতিবাচক বিষয়গুলোই মনে রাখতে চাই। নিজের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাসই আমাকে এই সুযোগগুলো এনে দিয়েছে। মানুষ যেন জীবনে অদম্য ও দৃঢ় থাকে।’
নরওয়েকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার ভালো সুযোগ ব্রাজিলের সামনে ছিল; কিন্তু তারা কার্যকর পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থ হয়। তাদের সবচেয়ে বড় সুযোগটি আসে প্রথমার্ধে, যখন খেলা গোলশূন্য অবস্থায় ছিল।
ব্রুনো গিমারেসের নেওয়া পেনাল্টিটি নরওয়ের গোলরক্ষক নেইল্যান্ড আটকে দেন। নরওয়ে তাদের সুযোগগুলো বেশ দক্ষতার সাথে কাজে লাগিয়েছে। হাতে পাওয়া অল্প কয়েকটি সুযোগের মধ্যে হালান্ড দু’বার গোল করে জয় নিশ্চিত করেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্রাজিলের হয়ে একটি গোল শোধ করেন নেইমার।
দানিলো বলেন, ‘আজ আমরা জিততে পারতাম; কিন্তু তা হয়নি। এখন যা-ই বলা হোক না কেন, তা অজুহাত হিসেবেই গণ্য হতে পারে। আসলে ভাষা খুঁজে পাওয়া কঠিন। এটি এমন একটি ম্যাচ ছিল যেখানে প্রতিপক্ষ বেশ কার্যকর ছিল এবং তারাই জিতেছে।’
সবশেষে, রাইটব্যাক দানিলো কোচ আনচেলত্তির অনুভূতির বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, ‘অন্য সবার মতোই তিনিও ব্যথিত। কোচ খুব হতাশ ছিলেন, তিনি তো আমাদেরই একজন। তিনি ইতালীয় হলেও তার হৃদয়টা পুরোপুরি ব্রাজিলীয়। আমাদের সবার মতোই তার জন্যও বিষয়টি কঠিন।’
আরআর/আইএইচএস
What's Your Reaction?