ব্রাজিলকে হারাতে পারলে ইতিহাস গড়বে জাপান
বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ আজ সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখে জাপান। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার প্রতিনিধিরা। ম্যাচটি শুধু পরবর্তী রাউন্ডে ওঠার লড়াই নয়, বরং জাপানের বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লেখারও সুযোগ।
১৯৯৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নেয় জাপান। এবারের আসরসহ এটি তাদের অষ্টম বিশ্বকাপ। তবে দীর্ঘ এই যাত্রায় গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউটে উঠলেও একবারও জয় তুলে নিতে পারেনি সামুরাই ব্লুরা। তাই ব্রাজিলকে হারাতে পারলে প্রথমবারের মতো নকআউট জয়ের স্বাদ পাবে জাপান, গড়বে নতুন ইতিহাস।
অভিষেক বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা, ক্রোয়েশিয়া ও জ্যামাইকার সঙ্গে কঠিন গ্রুপে পড়েছিল জাপান। আর্জেন্টিনা ও ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে বিদায়ের আগে শেষ ম্যাচে জ্যামাইকার বিপক্ষে একমাত্র জয় পেলেও গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোতে পারেনি তারা।
২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপে আবারও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ে জাপান। অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিলের কাছে হারের পাশাপাশি ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে ড্র করে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় দলটি। ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপেও একই পরিণতি হয়। আইভরি কোস্ট, গ্রিস ও কলম্বি
বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ আজ সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখে জাপান। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার প্রতিনিধিরা। ম্যাচটি শুধু পরবর্তী রাউন্ডে ওঠার লড়াই নয়, বরং জাপানের বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লেখারও সুযোগ।
১৯৯৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নেয় জাপান। এবারের আসরসহ এটি তাদের অষ্টম বিশ্বকাপ। তবে দীর্ঘ এই যাত্রায় গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউটে উঠলেও একবারও জয় তুলে নিতে পারেনি সামুরাই ব্লুরা। তাই ব্রাজিলকে হারাতে পারলে প্রথমবারের মতো নকআউট জয়ের স্বাদ পাবে জাপান, গড়বে নতুন ইতিহাস।
অভিষেক বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা, ক্রোয়েশিয়া ও জ্যামাইকার সঙ্গে কঠিন গ্রুপে পড়েছিল জাপান। আর্জেন্টিনা ও ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে বিদায়ের আগে শেষ ম্যাচে জ্যামাইকার বিপক্ষে একমাত্র জয় পেলেও গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোতে পারেনি তারা।
২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপে আবারও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ে জাপান। অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিলের কাছে হারের পাশাপাশি ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে ড্র করে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় দলটি। ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপেও একই পরিণতি হয়। আইভরি কোস্ট, গ্রিস ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পেরে টুর্নামেন্ট শেষ করতে হয় প্রথম রাউন্ডেই।
তবে অন্য চারটি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউটে উঠলেও শেষ বাধা আর টপকানো হয়নি। ২০০২ সালে নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে তুরস্কের কাছে হেরে বিদায় নেয় জাপান। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে টাইব্রেকারে থেমে যায় তাদের স্বপ্ন।
২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তে ৩-২ ব্যবধানে নাটকীয় হার মানতে হয় জাপানকে। আর ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে জার্মানি ও স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দিলেও শেষ ষোলোতে টাইব্রেকারে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়।
এবার সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ জাপানের সামনে। তবে ইতিহাস বদলাতে হলে টপকাতে হবে বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দলগুলোর একটি ব্রাজিলকে। সেলেসাওদের বিপক্ষে জয় মানেই হবে জাপানের বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম নকআউট জয়ের উল্লাস এবং নতুন এক মাইলফলক।