‘ব্রাজিলকে হারাতে পারি’ জাপানিজ স্ট্রাইকারের হুঁশিয়ারি
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে জায়গা করে নেওয়ার পর জাপান জাতীয় দলে এখন আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে। শেষ ষোলোতে প্রতিপক্ষ ব্রাজিল হলেও খেলোয়াড়দের বিশ্বাস, নিজেদের সেরাটা খেলতে পারলে জয় সম্ভব। বৃহস্পতিবার গ্রুপ ‘এফ’-এর তৃতীয় ম্যাচে ড্র তুলে নিয়ে গ্রুপে রানার্সআপ হয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে এশিয়ার দলটি। জাপানের স্ট্রাইকার মায়েদা বলেন, ‘আমি মনে করি এটি কঠিন একটি ম্যাচ হবে। তবে আমরা যদি নিজেদের পরিকল্পনা ঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে ব্রাজিলকে হারানো সম্ভব। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ভালোভাবে বিশ্রাম নেওয়া এবং ম্যাচের জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়া। আমরা এতদিন যা গড়ে তুলেছি, সেটি যদি মাঠে প্রয়োগ করতে পারি, তাহলে অবশ্যই জয়ের সুযোগ থাকবে।’ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে আছে জাপান। এশিয়ান বাছাইপর্বে গ্রুপসেরা হয়ে তারা বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়। প্রীতি ম্যাচ, বাছাইপর্ব এবং বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বসহ সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ ৩০ ম্যাচে জাপান মাত্র তিনটিতে হেরেছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের অক্টোবরে ব্রাজিলকে ৩-২ গোলে হারানোর সুখস্মৃতিও রয়েছে। এবারের বিশ্বকাপে জাপানের এই পারফরম্যান্স দেশটির ফুটবলপ্রেমীদের নতুন স্বপ্ন দেখাচ
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে জায়গা করে নেওয়ার পর জাপান জাতীয় দলে এখন আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে। শেষ ষোলোতে প্রতিপক্ষ ব্রাজিল হলেও খেলোয়াড়দের বিশ্বাস, নিজেদের সেরাটা খেলতে পারলে জয় সম্ভব। বৃহস্পতিবার গ্রুপ ‘এফ’-এর তৃতীয় ম্যাচে ড্র তুলে নিয়ে গ্রুপে রানার্সআপ হয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে এশিয়ার দলটি।
জাপানের স্ট্রাইকার মায়েদা বলেন, ‘আমি মনে করি এটি কঠিন একটি ম্যাচ হবে। তবে আমরা যদি নিজেদের পরিকল্পনা ঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে ব্রাজিলকে হারানো সম্ভব। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ভালোভাবে বিশ্রাম নেওয়া এবং ম্যাচের জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়া। আমরা এতদিন যা গড়ে তুলেছি, সেটি যদি মাঠে প্রয়োগ করতে পারি, তাহলে অবশ্যই জয়ের সুযোগ থাকবে।’
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে আছে জাপান। এশিয়ান বাছাইপর্বে গ্রুপসেরা হয়ে তারা বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়। প্রীতি ম্যাচ, বাছাইপর্ব এবং বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বসহ সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ ৩০ ম্যাচে জাপান মাত্র তিনটিতে হেরেছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের অক্টোবরে ব্রাজিলকে ৩-২ গোলে হারানোর সুখস্মৃতিও রয়েছে।
এবারের বিশ্বকাপে জাপানের এই পারফরম্যান্স দেশটির ফুটবলপ্রেমীদের নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে। দেশজুড়ে এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা দলের সদস্যদের মধ্যেও বিশ্বাস জন্মেছে, এই প্রজন্মই জাপানকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জেতাতে পারে। সেই আত্মবিশ্বাসের ছাপ পড়েছে পঞ্চম বিশ্বকাপ খেলতে আসা অভিজ্ঞ লেফট-ব্যাক নাগাতোমোর কণ্ঠেও।
তিনি বলেন, ‘ব্রাজিল সবসময়ই শক্তিশালী দল, এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। ম্যাচটি খুব কঠিন হবে। তবে আমাদেরও ভালো একটি দল আছে এবং মাঠে নামতে হবে এই বিশ্বাস নিয়ে যে, আমরা জিততে পারি।’
নাগাতোমোর কাছে নেইমারকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘নেইমার বিশ্বমানের একজন ফুটবলার। তাকে অবশ্যই বিশেষভাবে নজরে রাখতে হবে। তবে শুধু নেইমার নয়, পুরো ব্রাজিল দলই আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আমি আগেও ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলেছি এবং সত্যি বলতে, আমার বিশ্বাস এই বিশ্বকাপে তারা তাদের সেরা ফুটবল খেলবে। শতভাগ প্রস্তুতি নিয়ে তাদের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারছি, এজন্য আমি খুবই আনন্দিত।’
আরআর/এমএমআর
What's Your Reaction?