ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে নাম পাল্টে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন, তদন্ত কমিটি গঠন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত এক আসামির নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে হৃদয় (২৮) নামে হত্যা মামলার আরেক আসামি কৌশলে পালিয়ে গেছেন। ঘটনাটি ঘটে ২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে, তবে আজ শনিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পলাতক হৃদয় কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কসবা থানার একটি হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন হাজতের পরোয়ানা মূলে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর জেলা কারাগারে যান হৃদয়। পরবর্তীতে, গত ২৯ জানুয়ারি দুপুরে জামিনে কারামুক্ত নবীনগর থানার একটি মামলার আসামি দিদার হোসেনের নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে, জামিনপ্রাপ্ত অন্য বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার সময় তিনি কৌশলে পালিয়ে যান। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে কারাগারের দায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শোকজ করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান জানান, আসামি পলায়নের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও জেলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, পালিয়ে যাওয়া আ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত এক আসামির নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে হৃদয় (২৮) নামে হত্যা মামলার আরেক আসামি কৌশলে পালিয়ে গেছেন। ঘটনাটি ঘটে ২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে, তবে আজ শনিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পলাতক হৃদয় কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কসবা থানার একটি হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন হাজতের পরোয়ানা মূলে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর জেলা কারাগারে যান হৃদয়। পরবর্তীতে, গত ২৯ জানুয়ারি দুপুরে জামিনে কারামুক্ত নবীনগর থানার একটি মামলার আসামি দিদার হোসেনের নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে, জামিনপ্রাপ্ত অন্য বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার সময় তিনি কৌশলে পালিয়ে যান। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে কারাগারের দায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শোকজ করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান জানান, আসামি পলায়নের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও জেলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
What's Your Reaction?