ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে ৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জন তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান জানান, কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) ভোটের কম পেলে তার ৫০ হাজার টাকা জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৫০। এর এক-অষ্টমাংশ দাঁড়ায় ১৯ হাজার ১৩১ ভোট। এই নির্ধারিত ভোটসংখ্যার কম পাওয়ায় ৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- জেএসডির কে এম জাবির (তারা প্রতীক) পেয়েছেন ১৬৭ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মো. সাইদুজ্জামান কামাল (হরিণ প্রতীক) ১ হাজার ৯২৬ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু কায়েস সিকদার (ফুটবল প্রতীক) ৬৬৬ ভোট, ইসলামী ফ্রন্টের আবু নাসের (মোমবাতি প্রতীক) ২ হাজার ৩৫৩ ভোট, এনপিপির সফিকুল ইসলাম (আম প্রতীক) ১০৬ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লবের হাবিবুর রহমান (আপেল প্রতীক) ১৩৯ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের সাইদউদ্দিন খান (হাতপাখা প্রতীক) ৮
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জন তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান জানান, কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) ভোটের কম পেলে তার ৫০ হাজার টাকা জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৫০। এর এক-অষ্টমাংশ দাঁড়ায় ১৯ হাজার ১৩১ ভোট। এই নির্ধারিত ভোটসংখ্যার কম পাওয়ায় ৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- জেএসডির কে এম জাবির (তারা প্রতীক) পেয়েছেন ১৬৭ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মো. সাইদুজ্জামান কামাল (হরিণ প্রতীক) ১ হাজার ৯২৬ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু কায়েস সিকদার (ফুটবল প্রতীক) ৬৬৬ ভোট, ইসলামী ফ্রন্টের আবু নাসের (মোমবাতি প্রতীক) ২ হাজার ৩৫৩ ভোট, এনপিপির সফিকুল ইসলাম (আম প্রতীক) ১০৬ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লবের হাবিবুর রহমান (আপেল প্রতীক) ১৩৯ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের সাইদউদ্দিন খান (হাতপাখা প্রতীক) ৮ হাজার ৫৭২ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের সফিকুল ইসলাম (ট্রাক প্রতীক) পেয়েছেন ২৮৯ ভোট।
এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় দুই প্রার্থীর মধ্যে। বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলন–এর প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ‘মাথাল’ প্রতীকে ৯৪ হাজার ২৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মহসিন ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ৩৭ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকেন।
মোট প্রদত্ত ভোটের বড় অংশ দুই প্রধান প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। অন্য প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় জামানত রক্ষা করতে পারেননি।
What's Your Reaction?