ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪ শতাধিক খাল পুনরুদ্ধার করা হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, দেশে হাজার হাজার খাল রয়েছে, সে খালগুলো খনন করা হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মধ্যে চার শতাধিক খাল প্রশাসন থেকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই খালগুলোকে আমরা পুনরুদ্ধার করতে চাই, সজীব করতে চাই। খাল খননের মাধ্যমে উৎপাদন এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষা করা পাবে।
সোমবার ( ১৬ মার্চ) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বোয়ালিয়া খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, নদী, নালা, খাল ও বিল আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উৎপাদন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্যও অত্যাবশ্যকীয়। যারা নদী-নালাকে দখল করেছে, দূষণ করছে এগুলো দ্রুত পরিবর্তন করতে হবে, দখলমুক্ত করতে হবে। এগুলোকে সজীব করে তুলতে হবে, যাতে করে আমাদের জীবনটাও সজীব হয়ে উঠে, অর্থনীতিও সজীব হয়ে উঠে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালিয়া খালের দৈর্ঘ্য ৬ কিলোমিটার। খালের দু’দিক তিতাস নদীতে মিশেছে। ইতোপূর্বে খালের ৪ কিলোমিটার খনন করা হয়েছে। সোমবার বাকি ২ কিলোমিটার ও আরেকটি শাখা খালের ১ দশমিক ৮০ কিল
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, দেশে হাজার হাজার খাল রয়েছে, সে খালগুলো খনন করা হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মধ্যে চার শতাধিক খাল প্রশাসন থেকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই খালগুলোকে আমরা পুনরুদ্ধার করতে চাই, সজীব করতে চাই। খাল খননের মাধ্যমে উৎপাদন এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষা করা পাবে।
সোমবার ( ১৬ মার্চ) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বোয়ালিয়া খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, নদী, নালা, খাল ও বিল আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উৎপাদন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্যও অত্যাবশ্যকীয়। যারা নদী-নালাকে দখল করেছে, দূষণ করছে এগুলো দ্রুত পরিবর্তন করতে হবে, দখলমুক্ত করতে হবে। এগুলোকে সজীব করে তুলতে হবে, যাতে করে আমাদের জীবনটাও সজীব হয়ে উঠে, অর্থনীতিও সজীব হয়ে উঠে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালিয়া খালের দৈর্ঘ্য ৬ কিলোমিটার। খালের দু’দিক তিতাস নদীতে মিশেছে। ইতোপূর্বে খালের ৪ কিলোমিটার খনন করা হয়েছে। সোমবার বাকি ২ কিলোমিটার ও আরেকটি শাখা খালের ১ দশমিক ৮০ কিলোমিটার পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের বাস্তবায়নে এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩১ লাখ টাকা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আলী আজম প্রমুখ।