ব্রিটেনে তরুণীকে ধর্ষণ করলেন রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী যুবক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই এক তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে যুক্তরাজ্যে সাত বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন এক আশ্রয়প্রার্থী। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মেহমেত ওগুর (২৭)। তিনি স্ট্যাফোর্ডশায়ারের ট্যামওর্থ শহরের একটি পার্কে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে ধর্ষণ করেন। খবর বিবিসির। স্ট্যাফোর্ড ক্রাউন কোর্টে শুনানিতে জানানো হয়, গত বছরের জানুয়ারিতে ওই তরুণীর সঙ্গে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপে পরিচয়ের পর দেখা করতে যান ওগুর। ট্যামওর্থ শহরকেন্দ্রের কাছে নিরিবিলি একটি পার্কে দেখা হওয়ার সময় প্রথমে সম্মতিতে আলিঙ্গন ও চুম্বনের ঘটনা ঘটে। এরপর হঠাৎ করেই তরুণীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন তিনি। আদালতে বলা হয়, হামলার সময় তরুণী বারবার তাকে থামতে অনুরোধ করেন এবং নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করেন। চিৎকার শুনেও ওগুর হামলা চালিয়ে যান। সোমবার বিবিসির প্রতিবেদনে ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হয়। তাতে ভুক্তভোগীকে পাঠানো একাধিক বার্তাও আদালতে উপস্থাপনের তথ্য জানা যায়। এক বার্তায় ধর্ষক লেখেন, ‘আমি সত্যিই দুঃখিত। আমি এটা করতে চাইনি, কিন্তু নিজেকে থামাতে পারিনি।’ আরেকটি বার্তায় লেখা ছিল, ‘তোম

ব্রিটেনে তরুণীকে ধর্ষণ করলেন রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী যুবক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই এক তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে যুক্তরাজ্যে সাত বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন এক আশ্রয়প্রার্থী। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মেহমেত ওগুর (২৭)। তিনি স্ট্যাফোর্ডশায়ারের ট্যামওর্থ শহরের একটি পার্কে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে ধর্ষণ করেন। খবর বিবিসির।

স্ট্যাফোর্ড ক্রাউন কোর্টে শুনানিতে জানানো হয়, গত বছরের জানুয়ারিতে ওই তরুণীর সঙ্গে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপে পরিচয়ের পর দেখা করতে যান ওগুর। ট্যামওর্থ শহরকেন্দ্রের কাছে নিরিবিলি একটি পার্কে দেখা হওয়ার সময় প্রথমে সম্মতিতে আলিঙ্গন ও চুম্বনের ঘটনা ঘটে। এরপর হঠাৎ করেই তরুণীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন তিনি।

আদালতে বলা হয়, হামলার সময় তরুণী বারবার তাকে থামতে অনুরোধ করেন এবং নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করেন। চিৎকার শুনেও ওগুর হামলা চালিয়ে যান।

সোমবার বিবিসির প্রতিবেদনে ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হয়। তাতে ভুক্তভোগীকে পাঠানো একাধিক বার্তাও আদালতে উপস্থাপনের তথ্য জানা যায়। এক বার্তায় ধর্ষক লেখেন, ‘আমি সত্যিই দুঃখিত। আমি এটা করতে চাইনি, কিন্তু নিজেকে থামাতে পারিনি।’ আরেকটি বার্তায় লেখা ছিল, ‘তোমার সঙ্গে জোর করে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করার জন্য আমি দুঃখিত।’

ওগুর নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, গুগল ট্রান্সলেটের কারণে বার্তাগুলোর অর্থ বদলে গেছে। তবে আদালত তার এই বক্তব্য গ্রহণ করেননি। গত গ্রীষ্মে জুরি বোর্ড তাকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে।

আদালতে আরও জানানো হয়, ওগুর তুরস্কের কুর্দি সম্প্রদায়ের একজন সদস্য এবং ধর্ষণের কয়েক সপ্তাহ আগে ছোট নৌকায় করে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করেন। ঘটনার সময় তিনি ট্যামওর্থের একটি হোটেলে বসবাস করছিলেন।

রায় ঘোষণার সময় বিচারক জন এডওয়ার্ডস বলেন, যুক্তরাজ্যে তার ভবিষ্যৎ অবস্থান নিয়ে সিদ্ধান্ত অন্য কর্তৃপক্ষ নেবে, আদালত নয়।

সাজা ঘোষণার আগে আদালতে পাঠ করা এক বিবৃতিতে ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, এই হামলা তাকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। তার ভাষায়, ‘আমি জানি না, আমি কখনোই এটা কাটিয়ে উঠতে পারব কি না। সে আমাকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় এক বছর হয়ে গেছে, কিন্তু এখনো মনে হয় ঘটনাটা গতকালই ঘটেছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow