ব্রেইন ইমপ্ল্যান্ট: বড় পরিসরে বাণিজ্যিক উৎপাদনে নিউরালিংক

চলতি বছর থেকে ব্রেইন–কম্পিউটার ইন্টারফেস (বিসিআই) ডিভাইসের উচ্চমাত্রার বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে ব্রেইন ইমপ্ল্যান্ট কোম্পানি নিউরালিংক। টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক এ তথ্য জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ইলন মাস্ক বলেছেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো পরীক্ষামূলক ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল থেকে বেরিয়ে এসে এ প্রযুক্তিটি একটি বাণিজ্যিক ও স্কেল-যোগ্য চিকিৎসা পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এ লক্ষ্য পূরণে ২০২৬ সালের মধ্যেই নিউরালিংক সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় সার্জিক্যাল পদ্ধতি চালু করতে চায়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনের তথ্য মতে, নিউরালিংকের এই ইমপ্ল্যান্ট মূলত মেরুদণ্ডে আঘাতপ্রাপ্তসহ বিভিন্ন স্নায়বিক সমস্যায় ভোগা মানুষকে সহায়তা করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম রোগী এই ইমপ্ল্যান্ট ব্যবহার করে ভিডিও গেম খেলা, ইন্টারনেট ব্রাউজ করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) ২০২২ সালে প্রাথমিকভাবে অনুমোদন স্থগিত রাখলেও পরবর্তীতে উত্থাপিত উদ্বেগগুলো সমাধান করার প

ব্রেইন ইমপ্ল্যান্ট: বড় পরিসরে বাণিজ্যিক উৎপাদনে নিউরালিংক

চলতি বছর থেকে ব্রেইন–কম্পিউটার ইন্টারফেস (বিসিআই) ডিভাইসের উচ্চমাত্রার বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে ব্রেইন ইমপ্ল্যান্ট কোম্পানি নিউরালিংক। টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক এ তথ্য জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ইলন মাস্ক বলেছেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো পরীক্ষামূলক ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল থেকে বেরিয়ে এসে এ প্রযুক্তিটি একটি বাণিজ্যিক ও স্কেল-যোগ্য চিকিৎসা পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এ লক্ষ্য পূরণে ২০২৬ সালের মধ্যেই নিউরালিংক সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় সার্জিক্যাল পদ্ধতি চালু করতে চায়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনের তথ্য মতে, নিউরালিংকের এই ইমপ্ল্যান্ট মূলত মেরুদণ্ডে আঘাতপ্রাপ্তসহ বিভিন্ন স্নায়বিক সমস্যায় ভোগা মানুষকে সহায়তা করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম রোগী এই ইমপ্ল্যান্ট ব্যবহার করে ভিডিও গেম খেলা, ইন্টারনেট ব্রাউজ করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করতে সক্ষম হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) ২০২২ সালে প্রাথমিকভাবে অনুমোদন স্থগিত রাখলেও পরবর্তীতে উত্থাপিত উদ্বেগগুলো সমাধান করার পর নিউরোলিংক ২০২৪ সালে মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করে।

গত সেপ্টেম্বর মাসে নিউরালিংক জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে গুরুতর পক্ষাঘাতগ্রস্ত ১২ জন ব্যক্তি তাদের ব্রেইন ইমপ্ল্যান্ট পেয়েছেন। এর মাধ্যমে তারা ডিজিটাল ও শারীরিক বিভিন্ন ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন। জুন মাসে ৬৫০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল সংগ্রহের পর এই অগ্রগতি এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ নিউরালিংককে একটি গবেষণাভিত্তিক স্টার্ট-আপ থেকে বৃহৎ পরিসরের চিকিৎসা যন্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ২০২৬ সাল থেকেই তারা ব্রেইন–কম্পিউটার ইন্টারফেস ডিভাইসের ব্যাপক উৎপাদন শুরু করার লক্ষ্য নিয়েছে।

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow