ব্রেন স্ট্রোকের রোগীর কি নামাজ পড়তে হবে?

প্রশ্ন: ব্রেন স্ট্রোক করে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছেন, স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে এমন ব্যক্তির কি নামাজ আদায় করতে হবে? উত্তর: ব্রেন স্ট্রোকসহ যে কোনো অসুস্থতার কারণে কারো যদি স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়; এ রকম অবস্থা হয় যে নামাজের সময় মনে রাখতে পারে না, নামাজ পড়ার সময় রাকাত মনে রাখতে পারে না, অথবা শারীরিকভাবে এতটা অক্ষম হয়ে যায় যে মাথা নেড়ে ইশারায় নামাজ আদায়ের সক্ষমতাও তার না থাকে এবং এ অবস্থা একদিন ও এক রাতের বেশি দীর্ঘ হয়, তাহলে তার ওপর আর নামাজ ফরজ থাকে না। তবে ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত যেহেতু নামাজ, তাই তার পরিবার বা অভিভাবকদের উচিত তাকে নামাজ পড়তে যথাসম্ভব সাহায্য করা। তাকে নামাজ পড়িয়ে দেওয়া। নামাজের সময় হলে তাকে নামাজের কথা মনে করিয়ে দেওয়া, পবিত্রতা অর্জন করতে সাহায্য করা এবং নামাজে দাঁড় করিয়ে তাকে পাশ থেকে বলে দেওয়া কোন কাজের পর কোন কাজ করতে হবে। আরও পড়ুন ফরজ নামাজ বসে আদায় করা যায় যেসব কারণে বিশিষ্ট তাবেঈ রুকাইন ইবনে রাবী (রহ.) বলেন, একবার আমি হজরত আসমার (রা.) কাছে গেলাম। তখন তিনি বয়োবৃদ্ধ হয়ে গেছেন। দেখলাম, তিনি নামাজ পড়ছেন আর একজন নারী তাকে বলে দিচ্ছেন,

ব্রেন স্ট্রোকের রোগীর কি নামাজ পড়তে হবে?

প্রশ্ন: ব্রেন স্ট্রোক করে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছেন, স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে এমন ব্যক্তির কি নামাজ আদায় করতে হবে?

উত্তর: ব্রেন স্ট্রোকসহ যে কোনো অসুস্থতার কারণে কারো যদি স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়; এ রকম অবস্থা হয় যে নামাজের সময় মনে রাখতে পারে না, নামাজ পড়ার সময় রাকাত মনে রাখতে পারে না, অথবা শারীরিকভাবে এতটা অক্ষম হয়ে যায় যে মাথা নেড়ে ইশারায় নামাজ আদায়ের সক্ষমতাও তার না থাকে এবং এ অবস্থা একদিন ও এক রাতের বেশি দীর্ঘ হয়, তাহলে তার ওপর আর নামাজ ফরজ থাকে না।

তবে ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত যেহেতু নামাজ, তাই তার পরিবার বা অভিভাবকদের উচিত তাকে নামাজ পড়তে যথাসম্ভব সাহায্য করা। তাকে নামাজ পড়িয়ে দেওয়া। নামাজের সময় হলে তাকে নামাজের কথা মনে করিয়ে দেওয়া, পবিত্রতা অর্জন করতে সাহায্য করা এবং নামাজে দাঁড় করিয়ে তাকে পাশ থেকে বলে দেওয়া কোন কাজের পর কোন কাজ করতে হবে।

বিশিষ্ট তাবেঈ রুকাইন ইবনে রাবী (রহ.) বলেন, একবার আমি হজরত আসমার (রা.) কাছে গেলাম। তখন তিনি বয়োবৃদ্ধ হয়ে গেছেন। দেখলাম, তিনি নামাজ পড়ছেন আর একজন নারী তাকে বলে দিচ্ছেন, এখন রুকু করুন, এখন সিজদা করুন। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা: ৩৪৯৭)

এভাবে চেষ্টা করলে ওই অসুস্থ ব্যক্তির অভিভাবকরা সওয়াব লাভ করবেন। কিন্তু তার ওপর নামাজ ফরজ না হওয়ার কারণে কখনো সাহায্য করার কেউ না থাকলে, নামাজ কাজা হয়ে গেলে ওই নামাজ কাজা করতে হবে না বা তার মৃত্যু হলে সেগুলোর ফিদিয়াও দিতে হবে না।

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow