বড় লেবুর হালি ১৬০ টাকা, শসা-বেগুনের দামে ‘সেঞ্চুরি’

আজকে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামীকাল থেকে দেশে শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। রোজাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বাজারগুলোতে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা বেড়েছে। বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার দোকান ও কাঁচাবাজারে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। এদিকে, রোজায় প্রয়োজনীয় সবজি জাতীয় তিন পণ্য— লেবু, শসা ও বেগুনের দাম এরই মধ্যে ‘সেঞ্চুরি’ ছুঁয়েছে। বাজারে লেবু বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ৬০ থেকে ১৪০ টাকা হালিতে। শসা ও বেগুন কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায়। রোজা উপলক্ষে বাজারে আসা তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৬৫ থেকে ৯০ টাকায়। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ানবাজার, ইব্রাহিমপুর কাঁচাবাজার, শেওড়াপাড়া এলাকার কয়েকটি দোকান ও বিজয় সরণীর কলমিলতা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। রাজধানীর কারওয়ানবাজারে শসা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১৪০ টাকায়। এর মধ্যে দেশি শসা ১৪০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে শসার কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। খিড়া বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে। আকার ও জাতভেদে লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ১৪০ টাকা হালিতে। কারওয়ানবাজারে সবচেয়ে বড় আকারের একটি লেবু পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। সে

বড় লেবুর হালি ১৬০ টাকা, শসা-বেগুনের দামে ‘সেঞ্চুরি’

আজকে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামীকাল থেকে দেশে শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। রোজাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বাজারগুলোতে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা বেড়েছে। বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার দোকান ও কাঁচাবাজারে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে।

এদিকে, রোজায় প্রয়োজনীয় সবজি জাতীয় তিন পণ্য— লেবু, শসা ও বেগুনের দাম এরই মধ্যে ‘সেঞ্চুরি’ ছুঁয়েছে। বাজারে লেবু বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ৬০ থেকে ১৪০ টাকা হালিতে। শসা ও বেগুন কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায়। রোজা উপলক্ষে বাজারে আসা তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৬৫ থেকে ৯০ টাকায়।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ানবাজার, ইব্রাহিমপুর কাঁচাবাজার, শেওড়াপাড়া এলাকার কয়েকটি দোকান ও বিজয় সরণীর কলমিলতা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

রাজধানীর কারওয়ানবাজারে শসা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১৪০ টাকায়। এর মধ্যে দেশি শসা ১৪০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে শসার কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। খিড়া বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে।

আকার ও জাতভেদে লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ১৪০ টাকা হালিতে। কারওয়ানবাজারে সবচেয়ে বড় আকারের একটি লেবু পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। সেই হিসাবে হালি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। বাজারে বেগুনের সরবরাহ তুলনামূলক বেশি থাকলেও চাহিদা কম। তবুও দাম বাড়তি। বেগুন বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায়।

এদিকে. বাজারে উঠতে শুরু করেছে তরমুজ। কারওয়ানবাজারে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৬৫ থেকে ৯০ টাকায়।

বিক্রেতা হাতেম ফকির জানান, তরমুজ আরও এক মাস আগেই বাজারে এসেছে এবং কয়েক দিনের মধ্যে সরবরাহ আরও বাড়বে। কিছুদিনের মধ্যেই বরিশালের তরমুজ বাজারে আসতে শুরু করলে দাম কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, রোজা উপলক্ষে খেজুরের চাহিদাও বেড়েছে। বাজারে খেজুর বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ৩৫০ টাকা কেজিতে। ভালো মানের খেজুরের দাম প্রকারভেদে ২ হাজার টাকারও বেশি। তবে বাজারে বিক্রি হওয়া ৫০০ থেকে ৭০০ এবং ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা দরের খেজুরের ক্রেতা বেশি।

বাজারে নতুন স্ট্রবেরি উঠেছে। তবে দাম তুলনামূলক অনেক বেশি। বর্তমানে স্ট্রবেরি কেজিপ্রতি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সাধারণত এ ফলের দাম থাকে ২০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। এছাড়া পেপে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজিতে, বাঙ্গি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা পিস এবং পেয়ারা ১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। অন্যান্য ফলের দামও আগের তুলনায় কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি রয়েছে।

কারওয়ানবাজারে পাইকারিতে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকা পাল্লায়। এতে কেজিপ্রতি দাম পড়ছে প্রায় ৫৪ টাকা। তবে অলিগলি ও খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজিতে। রসুন পাইকারিতে ২০০ টাকা এবং আদা ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া আলু পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা পাল্লায়।

জানা গেছে, রোজাকে কেন্দ্র করে কয়েকটি নিত্যপণ্যের দামও বেড়েছে। বর্তমানে ছোলা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১১০ টাকায়। চিনি ১০০ থেকে ১১০ টাকা, মুড়ি ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর সয়াবিন তেল লিটারপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৯৬ টাকায়।

পূর্ব শেওড়াপাড়ার ইব্রাহিমপুর বাজারে কথা হলে গৃহিণী উম্মে হাবিবা বলেন, রোজা এলেই সব পণ্যের দাম বেড়ে যায়, এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। লেবু, শসা ও বেগুনের যে দাম, তাতে মনে হচ্ছে আমাদের গলা কাটা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় এসব জিনিস কিনতেই কষ্ট হচ্ছে। রোজাকে পুঁজি করে এভাবে দাম বাড়ানো অন্যায়, এর শাস্তি হওয়া উচিত।

কারওয়ানবাজারে কথা হলে বেসরকারি কর্মকর্তা দিদার বলেন, রোজার জন্য কিছু ফল কিনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কারওয়ানবাজারেও দাম বেশি। তরমুজের কেজি চাইছে ৯০ টাকা। অন্যান্য সব ফলের দামও কেজিতে ১০ থেকে ১২০ টাকা বেশি মনে হচ্ছে।

ইএইচটি/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow