ভরাট করা পুকুর উদ্ধার করল প্রশাসন
রাজশাহী মহানগরীর পঞ্চবটি আহমপুরে পুকুর ভরাটের ঘটনা জানতে পেরে সেটি উদ্ধারে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। কয়েকদিন ধরে পুকুরটি কৌশলে ধীরগতিতে ভরাট করা হচ্ছিল। এরই মধ্যে কিছু অংশ মাটি দিয়ে ভরাট করা হলেও মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সেখানে অভিযান চালান প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তবে, পুকুর ভরাটে জড়িতরা তখন সরে পড়েন। বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদের নেতৃত্বে পুকুর উদ্ধার অভিযানে ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন ও বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন। স্থানীয়রা জানান, পুকুরের মালিক প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন। তবে, পুকুর ভরাটের সঙ্গে জড়িত রয়েছে মালিকপক্ষের সাত থেকে আটজন। তাদের মধ্যে অন্যতম, স্থানীয় আনার, আরিফ, চঞ্চল, সুমন, চন্দন, তারাসহ অনেকে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের মাধ্যমে রাজশাহী ঢাকা মহাসড়কের পাশে তাদের জমি বছরখানেক আগ থেকে ধীরে ধীরে ভরাট করা শুরু হয়। বিষয়টি বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার জানালে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের একাধিকবার সতর্ক করেন। সতর্কতা ব্যাতিরেকে পুকুর ভরাট চলমান রাখায় এমন অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানকালে বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ
রাজশাহী মহানগরীর পঞ্চবটি আহমপুরে পুকুর ভরাটের ঘটনা জানতে পেরে সেটি উদ্ধারে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। কয়েকদিন ধরে পুকুরটি কৌশলে ধীরগতিতে ভরাট করা হচ্ছিল। এরই মধ্যে কিছু অংশ মাটি দিয়ে ভরাট করা হলেও মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সেখানে অভিযান চালান প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তবে, পুকুর ভরাটে জড়িতরা তখন সরে পড়েন।
বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদের নেতৃত্বে পুকুর উদ্ধার অভিযানে ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন ও বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন।
স্থানীয়রা জানান, পুকুরের মালিক প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন। তবে, পুকুর ভরাটের সঙ্গে জড়িত রয়েছে মালিকপক্ষের সাত থেকে আটজন। তাদের মধ্যে অন্যতম, স্থানীয় আনার, আরিফ, চঞ্চল, সুমন, চন্দন, তারাসহ অনেকে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের মাধ্যমে রাজশাহী ঢাকা মহাসড়কের পাশে তাদের জমি বছরখানেক আগ থেকে ধীরে ধীরে ভরাট করা শুরু হয়। বিষয়টি বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার জানালে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের একাধিকবার সতর্ক করেন। সতর্কতা ব্যাতিরেকে পুকুর ভরাট চলমান রাখায় এমন অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
অভিযানকালে বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় পুকুর ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে। এই খনন কাজে যে ব্যয় হবে, তা পুকুর ভরাটকারীদের কাছ থেকেই আদায় করা হবে। ভবিষ্যতে রাজশাহীতে আর কোনো পুকুর ভরাট করতে দেওয়া হবে না। খবর পেলেই কাজ বন্ধ করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে। পুকুর পুনঃখনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্বে থাকবেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে পুকুর ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং ভরাটকৃত পুকুর পুনরায় ফিরিয়ে আনাও আমাদের দায়িত্ব। আমরা অভিযোগ পাচ্ছিলাম যে পুকুরটা ভরাট করা হচ্ছে। পাশের একটি বিল্ডিং ভেঙে তার ইট এবং খোয়া ভেঙে পুকুর ভরাট কাজ চালাচ্ছে। আমাদের বিভাগীয় কমিশনার স্যারের কাছেও এ বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে এবং স্যারের নির্দেশে আমরা পুকুরটা আবারও খনন করছি, যাতে তারা পুকুরটি আবারও ভরাট করতে না পারে।
What's Your Reaction?