ভরাডুবির পরও দল ছাড়ছেন না কিয়ার স্টারমার

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় ধরনের ভরাডুবির পরও পদত্যাগ করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। শুক্রবার তিনি জানান, আগামী সাধারণ নির্বাচনেও তিনিই দলের নেতৃত্ব দেবেন বলে আশা করছেন। নির্বাচনে দলের হতাশাজনক ফলাফলের দায় স্বীকার করে স্টারমার বলেন, আমি দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে দেশকে বিশৃঙ্খলার মুখে ঠেলে দেব না। স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের পার্লামেন্ট নির্বাচনেও লেবার পার্টি বড় ধাক্কার আশঙ্কায় রয়েছে। ফলাফল নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় স্টারমার বলেন, এটি অত্যন্ত কঠিন ফল। আমরা অনেক দক্ষ জনপ্রতিনিধিকে হারিয়েছি এবং এর দায় আমি নিচ্ছি। দুই বছর আগে ১৪ বছরের কনজারভেটিভ শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিপুল জয় পেয়েছিল লেবার পার্টি। তবে এবারের স্থানীয় নির্বাচনে দলটির অবস্থান ব্যাপকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী দল রিফর্ম ইউকে ৩৫০টির বেশি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে, লেবার পার্টি হারিয়েছে ২৪০টিরও বেশি আসন। এ পরাজয়ের পর স্টারমারের পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, পরিবর্তনের যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, ত

ভরাডুবির পরও দল ছাড়ছেন না কিয়ার স্টারমার

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় ধরনের ভরাডুবির পরও পদত্যাগ করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। শুক্রবার তিনি জানান, আগামী সাধারণ নির্বাচনেও তিনিই দলের নেতৃত্ব দেবেন বলে আশা করছেন।

নির্বাচনে দলের হতাশাজনক ফলাফলের দায় স্বীকার করে স্টারমার বলেন, আমি দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে দেশকে বিশৃঙ্খলার মুখে ঠেলে দেব না।

স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের পার্লামেন্ট নির্বাচনেও লেবার পার্টি বড় ধাক্কার আশঙ্কায় রয়েছে। ফলাফল নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় স্টারমার বলেন, এটি অত্যন্ত কঠিন ফল। আমরা অনেক দক্ষ জনপ্রতিনিধিকে হারিয়েছি এবং এর দায় আমি নিচ্ছি।

দুই বছর আগে ১৪ বছরের কনজারভেটিভ শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিপুল জয় পেয়েছিল লেবার পার্টি। তবে এবারের স্থানীয় নির্বাচনে দলটির অবস্থান ব্যাপকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে।

প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী দল রিফর্ম ইউকে ৩৫০টির বেশি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে, লেবার পার্টি হারিয়েছে ২৪০টিরও বেশি আসন।

এ পরাজয়ের পর স্টারমারের পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, পরিবর্তনের যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে তিনি অটল থাকবেন।

এদিকে রিফর্ম ইউকের নেতা নাইজেল ফারাজ এই ফলাফলকে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে ঐতিহাসিক পরিবর্তন বলে মন্তব্য করেছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, ভুল নীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, উচ্চ জ্বালানি মূল্য এবং অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতার কারণে স্টারমার সরকারের জনপ্রিয়তা কমেছে।


 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow