ভাইরাল ভিডিওর সূত্র ধরে কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার
রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানা এলাকায় এক রিকশাচালককে মারধর ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত কিশোর গ্যাংয়ের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)। তাদের মধ্যে কয়েকজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় শিশু আইনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। রোববার (৫ জুলাই) শাহমখদুম থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আরএমপির মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) গাজিউর রহমান। তিনি বলেন, গত ৩ জুলাই বিকেলে শাহমখদুম থানার বোয়ালিয়া সড়কের পাশে একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ের সামনে এক রিকশাচালকের ওপর হামলা চালায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। এ সময় তাকে মারধর করে তার কাছে থাকা একটি মোবাইল ফোন ও প্রায় ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। উপপুলিশ কমিশনার বলেন, এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আরএমপি কমিশনার মো. ফয়েজুল কবিরের নজরে আসে। তার নির্দেশে শাহমখদুম থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে। গাজিউর রহমান বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে
রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানা এলাকায় এক রিকশাচালককে মারধর ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত কিশোর গ্যাংয়ের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)। তাদের মধ্যে কয়েকজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় শিশু আইনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
রোববার (৫ জুলাই) শাহমখদুম থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আরএমপির মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) গাজিউর রহমান।
তিনি বলেন, গত ৩ জুলাই বিকেলে শাহমখদুম থানার বোয়ালিয়া সড়কের পাশে একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ের সামনে এক রিকশাচালকের ওপর হামলা চালায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। এ সময় তাকে মারধর করে তার কাছে থাকা একটি মোবাইল ফোন ও প্রায় ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
উপপুলিশ কমিশনার বলেন, এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আরএমপি কমিশনার মো. ফয়েজুল কবিরের নজরে আসে। তার নির্দেশে শাহমখদুম থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।
গাজিউর রহমান বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শাহমখদুম থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি মহানগরীতে কিশোর গ্যাংসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা চলমান থাকবে।
What's Your Reaction?