ভাইরাস আতঙ্কে ভারত-আফ্রিকান ইউনিয়ন শীর্ষ সম্মেলন স্থগিত
ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘিরে উদ্বেগের কারণে ভারত ও আফ্রিকান ইউনিয়নের চতুর্থ ভারত-আফ্রিকা ফোরাম সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩১ মে নয়াদিল্লিতে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার (২১ মে) হিন্দুস্তান টাইমসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে উদ্ভূত জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে ভারত সরকার, আফ্রিকান ইউনিয়নের চেয়ারপারসন এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন কমিশনের মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আফ্রিকার কিছু অংশে স্বাস্থ্য পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করেছে। এসময় আফ্রিকা সিডিসি এবং সংশ্লিষ্ট জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, আফ্রিকার নেতারা ও অংশীজনদের পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এবং বর্তমান স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রেক্ষাপটে সম্মেলনটি পরবর্তীতে আয়োজন করাই যুক্তিযুক্ত বলে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে। তবে নতুন তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি। জানানো হয়েছে, পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করে পরে তা জানানো হবে। ভারত ও
ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘিরে উদ্বেগের কারণে ভারত ও আফ্রিকান ইউনিয়নের চতুর্থ ভারত-আফ্রিকা ফোরাম সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩১ মে নয়াদিল্লিতে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) হিন্দুস্তান টাইমসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে উদ্ভূত জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে ভারত সরকার, আফ্রিকান ইউনিয়নের চেয়ারপারসন এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন কমিশনের মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আফ্রিকার কিছু অংশে স্বাস্থ্য পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করেছে। এসময় আফ্রিকা সিডিসি এবং সংশ্লিষ্ট জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, আফ্রিকার নেতারা ও অংশীজনদের পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এবং বর্তমান স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রেক্ষাপটে সম্মেলনটি পরবর্তীতে আয়োজন করাই যুক্তিযুক্ত বলে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে।
তবে নতুন তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি। জানানো হয়েছে, পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করে পরে তা জানানো হবে।
ভারত ও আফ্রিকার মধ্যে দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বের বিষয়টিও বিজ্ঞপ্তিতে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, উভয় পক্ষের সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা, শান্তি, উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণের প্রতি অভিন্ন অঙ্গীকারের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।
এর একদিন আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ও উগান্ডায় ছড়িয়ে পড়া ইবোলা পরিস্থিতিকে জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করে। সংস্থাটি জানায়, আক্রান্ত এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মীদের পৌঁছাতে সমস্যার কারণে পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠছে।
ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস জানান, এ পর্যন্ত ১৩০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর সঙ্গে এই প্রাদুর্ভাবের সম্পর্ক থাকতে পারে এবং ৫০০-র বেশি সন্দেহভাজন সংক্রমণের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে।
What's Your Reaction?