ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ব্যবসায়ী খুন
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মামাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মাহাবুল প্রামাণিক (৪৫) নামে এক মিষ্টি ব্যবসায়ী খুন হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আজিজলতলা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মাহাবুল ওই গ্রামের আজু প্রামাণিকের ছেলে। তিনি পেশায় মিষ্টি ব্যবসায়ী ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে ‘মাহাবুল মিষ্টি ওয়ালা’ নামে পরিচিত ছিলেন। অভিযুক্ত আব্দুল বাশার একই এলাকার আবুল কাশেম বিদু মুন্সীর ছেলে। সম্পর্কে তিনি নিহত মাহাবুলের আপন মামাতো ভাই। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাহাবুল ও আব্দুল বাশারের মধ্যে পারিবারিক জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। রোববার সকালে এই নিয়ে দুইজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিবাদ চরম আকার ধারণ করলে আব্দুল বাশার উত্তেজিত হয়ে লাঠি দিয়ে মাহাবুলকে আঘাত করেন। লাঠির আঘাতে মাহাবুল রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মাহাবুলকে মৃত ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত আব্দুল বাশারকে এলাকাবাসী আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়।
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মামাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মাহাবুল প্রামাণিক (৪৫) নামে এক মিষ্টি ব্যবসায়ী খুন হয়েছেন।
রোববার (২৪ মে) সকালে ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আজিজলতলা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মাহাবুল ওই গ্রামের আজু প্রামাণিকের ছেলে। তিনি পেশায় মিষ্টি ব্যবসায়ী ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে ‘মাহাবুল মিষ্টি ওয়ালা’ নামে পরিচিত ছিলেন।
অভিযুক্ত আব্দুল বাশার একই এলাকার আবুল কাশেম বিদু মুন্সীর ছেলে। সম্পর্কে তিনি নিহত মাহাবুলের আপন মামাতো ভাই।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাহাবুল ও আব্দুল বাশারের মধ্যে পারিবারিক জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। রোববার সকালে এই নিয়ে দুইজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিবাদ চরম আকার ধারণ করলে আব্দুল বাশার উত্তেজিত হয়ে লাঠি দিয়ে মাহাবুলকে আঘাত করেন। লাঠির আঘাতে মাহাবুল রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মাহাবুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত আব্দুল বাশারকে এলাকাবাসী আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বাশারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এছাড়া পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্ত আসামিকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?