ভাঙ্গন রোধে ফেলা হচ্ছে ৪৫ হাজার জিও ব্যাগ

পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বংশাই-ধলেশ্বরী নদীতে তীব্র নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে নদীর ৬টি স্পটে তাৎক্ষণিকভাবে ৪০ হাজারের অধিক জিও ব্যাগ ও সাড়ে ৫ হাজার টিউব ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। শনিবার (৪ জুলাই) এ কাজের তদাকরি করতে নদী পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। এছাড়া বংশাই নদীর তীরবর্তী ভাঙ্গন কবলিত বংশাই স্যালুঘাট, সওদাগরপাড়া ও বাওয়ার কুমারজানি এলাকাও পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্যের সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার সালাউদ্দিনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রান্ত পন্ডিত বলেন, আপাতত বংশাই-ধলেশ্বরী নদী তীরবর্তী ফতেপুর পশ্চিমপাড়া, চাকলেশ্বর, গোড়াইল মৃধাপাড়া, চাকলেশ্বর, থলপাড়া কবরস্থান, পাটদিঘীতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। প্রতিটি স্পটের জন্য ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে এই জিও ব্যাগগুলো ফেলা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্য স্পটগুলোতেও জিও ব্যাগ ফেলার ক

ভাঙ্গন রোধে ফেলা হচ্ছে ৪৫ হাজার জিও ব্যাগ

পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বংশাই-ধলেশ্বরী নদীতে তীব্র নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে নদীর ৬টি স্পটে তাৎক্ষণিকভাবে ৪০ হাজারের অধিক জিও ব্যাগ ও সাড়ে ৫ হাজার টিউব ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

শনিবার (৪ জুলাই) এ কাজের তদাকরি করতে নদী পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। এছাড়া বংশাই নদীর তীরবর্তী ভাঙ্গন কবলিত বংশাই স্যালুঘাট, সওদাগরপাড়া ও বাওয়ার কুমারজানি এলাকাও পরিদর্শন করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্যের সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার সালাউদ্দিনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রান্ত পন্ডিত বলেন, আপাতত বংশাই-ধলেশ্বরী নদী তীরবর্তী ফতেপুর পশ্চিমপাড়া, চাকলেশ্বর, গোড়াইল মৃধাপাড়া, চাকলেশ্বর, থলপাড়া কবরস্থান, পাটদিঘীতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। প্রতিটি স্পটের জন্য ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে এই জিও ব্যাগগুলো ফেলা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্য স্পটগুলোতেও জিও ব্যাগ ফেলার কার্যক্রম শুরু হবে।

সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বলেন, সমস্যার তুলনায় এই উদ্যোগ সামান্য। নির্বাচনী ওয়াদা মোতাবেক ভাঙ্গন কবলিত এলাকা রক্ষার প্রাথমিক কাজ শুরু করেছি। ভবিষ্যতে ভাঙ্গন কবলিত এলাকাগুলো স্থায়ীভাবে রক্ষার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হবে।

নদী তীরবর্তী সাধারণ মানুষ ভাঙ্গন শংঙ্কায় সময় পাড় করলেও ব্যাপক পরিমাণে জিও ব্যাগ ফেলার উদ্যোগে তারা আশান্বিত। তাদের দাবি ভাঙ্গনরোধে ভবিষ্যতে যেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে এই সমস্যা টেকসই সমাধান করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow