ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে ‘নো হ্যান্ডশেক’ বিতর্কে যা বলল বিসিবি

জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপের বাংলাদেশ–ভারত ম্যাচে টসের পর দুই অধিনায়কের করমর্দন না করার ঘটনা নিয়ে আনুষ্ঠানিক অবস্থান পরিষ্কার করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ড জানিয়েছে, ঘটনাটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ছিল এবং এতে প্রতিপক্ষকে অসম্মান করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, অসুস্থতার কারণে বাংলাদেশের নিয়মিত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম টসে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার বদলে সহ–অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার টসে দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। টস শেষে ভারত অধিনায়ক আয়ুশ মাহাত্রের সঙ্গে করমর্দন না হওয়াকে বোর্ড “ক্ষণিকের অসাবধানতা” হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে। বিসিবি স্পষ্ট করেছে, ‘প্রতিপক্ষের প্রতি অশ্রদ্ধা বা অবজ্ঞা প্রদর্শনের কোনো অভিপ্রায় এতে ছিল না। এটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত এবং সাময়িক মনোযোগ বিচ্যুতির ফল।’ বোর্ড আরও জানিয়েছে, বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করেছে। ক্রিকেটের চেতনা, শিষ্টাচার ও প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান বজায় রাখা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের মৌলিক শর্ত—এই বার্তা দিয়ে দল ব্যবস্থাপনাকে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে খেলোয়

ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে ‘নো হ্যান্ডশেক’ বিতর্কে যা বলল বিসিবি

জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপের বাংলাদেশ–ভারত ম্যাচে টসের পর দুই অধিনায়কের করমর্দন না করার ঘটনা নিয়ে আনুষ্ঠানিক অবস্থান পরিষ্কার করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ড জানিয়েছে, ঘটনাটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ছিল এবং এতে প্রতিপক্ষকে অসম্মান করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, অসুস্থতার কারণে বাংলাদেশের নিয়মিত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম টসে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার বদলে সহ–অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার টসে দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। টস শেষে ভারত অধিনায়ক আয়ুশ মাহাত্রের সঙ্গে করমর্দন না হওয়াকে বোর্ড “ক্ষণিকের অসাবধানতা” হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে।

বিসিবি স্পষ্ট করেছে, ‘প্রতিপক্ষের প্রতি অশ্রদ্ধা বা অবজ্ঞা প্রদর্শনের কোনো অভিপ্রায় এতে ছিল না। এটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত এবং সাময়িক মনোযোগ বিচ্যুতির ফল।’

বোর্ড আরও জানিয়েছে, বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করেছে। ক্রিকেটের চেতনা, শিষ্টাচার ও প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান বজায় রাখা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের মৌলিক শর্ত—এই বার্তা দিয়ে দল ব্যবস্থাপনাকে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে খেলোয়াড়দের সব ধরনের মিথস্ক্রিয়ায় সর্বোচ্চ ক্রীড়াসুলভ আচরণ বজায় রাখার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই ম্যাচটি এমন সময় অনুষ্ঠিত হলো, যখন বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কে কূটনৈতিক ও ক্রীড়া–রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেছে বিসিবি—যা এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।

বিশেষ করে মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া এবং ভারতে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ—এই পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে। ফলে বুলাওয়ের ‘নো হ্যান্ডশেক’ দৃশ্যটি স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি আলোচনার জন্ম দেয়।

তবে বিসিবি পরিষ্কার করে দিয়েছে—বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটি কোনো নীতি বা অবস্থান ছিল না; বরং তা ছিল অনিচ্ছাকৃত ভুল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow