ভারত মহাসাগরে হামলার প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি ইরানের
ভারত মহাসাগরে ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ১০৪ নৌসদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান আমির হাতামি। তিনি বলেছেন, এই হামলার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে। শনিবার (১৪ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর বরাতে জানানো হয়, ইরানের নতুন যুদ্ধজাহাজগুলোর একটি আইআরআইএস দেনা সামরিক মহড়া শেষে দেশে ফেরার পথে হামলার শিকার হয়। আমির হাতামি বলেন, দেনা ডেস্ট্রয়ারের ক্রুরা একটি শান্তিপূর্ণ মিশন শেষ করে দেশে ফিরছিলেন। তারা কোনো সরাসরি যুদ্ধে জড়িত না থাকা অবস্থায়ই হামলার লক্ষ্যবস্তু হন। তিনি বলেন, দেনার নাম এবং এর ক্রুদের আত্মত্যাগ ইরানের নৌবাহিনীর ইতিহাসে সাহস ও দায়িত্ববোধের প্রতীক হয়ে থাকবে। সেনাবাহিনী সামুদ্রিক সীমান্ত রক্ষায় আরও দৃঢ়ভাবে কাজ করবে এবং নৌক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হবে। ভারত মহাসাগরে মার্কিন সাবমেরিনের টর্পেডো হামলায় নিহত ৮৪ ইরানি নাবিকের মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে শ্রীলঙ্কার
ভারত মহাসাগরে ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ১০৪ নৌসদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান আমির হাতামি। তিনি বলেছেন, এই হামলার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।
শনিবার (১৪ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর বরাতে জানানো হয়, ইরানের নতুন যুদ্ধজাহাজগুলোর একটি আইআরআইএস দেনা সামরিক মহড়া শেষে দেশে ফেরার পথে হামলার শিকার হয়। আমির হাতামি বলেন, দেনা ডেস্ট্রয়ারের ক্রুরা একটি শান্তিপূর্ণ মিশন শেষ করে দেশে ফিরছিলেন। তারা কোনো সরাসরি যুদ্ধে জড়িত না থাকা অবস্থায়ই হামলার লক্ষ্যবস্তু হন।
তিনি বলেন, দেনার নাম এবং এর ক্রুদের আত্মত্যাগ ইরানের নৌবাহিনীর ইতিহাসে সাহস ও দায়িত্ববোধের প্রতীক হয়ে থাকবে। সেনাবাহিনী সামুদ্রিক সীমান্ত রক্ষায় আরও দৃঢ়ভাবে কাজ করবে এবং নৌক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হবে।
ভারত মহাসাগরে মার্কিন সাবমেরিনের টর্পেডো হামলায় নিহত ৮৪ ইরানি নাবিকের মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র থুশারা রদ্রিগোর বরাতে জানানো হয়, ইরান থেকে পাঠানো একটি চার্টার্ড বিমানে করে নিহত নাবিকদের মরদেহ ফেরত নেওয়া হবে। ইরানের দূতাবাসও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
গত ৪ মার্চ শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানের ফ্রিগেট যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস দেনা মার্কিন সাবমেরিনের টর্পেডো হামলায় ডুবে যায়। এ ঘটনায় ৮৪ জন নাবিক নিহত হন। শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনী দুর্ঘটনার পর ৩২ জন ইরানি নাবিককে উদ্ধার করে। তারা আপাতত শ্রীলঙ্কাতেই থাকবেন বলে জানিয়েছেন রদ্রিগো।
এদিকে দেনা ডুবে যাওয়ার একদিন পর আরেকটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস বুশেহরকে শ্রীলঙ্কার জলসীমায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। জাহাজটি এবং এর ২১৯ সদস্যের ক্রুকে নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছে শ্রীলঙ্কা।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুশেহর জাহাজটির দুটি ইঞ্জিনের একটি বিকল হয়ে যাওয়ায় শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী সেটি মেরামতের চেষ্টা করছে। জাহাজটির ক্রুরা একটি ক্যাম্পে অবস্থান করছেন।
উদ্ধার হওয়া ৩২ নাবিকের মধ্যে ২২ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন এবং তাদের দ্বীপের দক্ষিণে একটি বিমানঘাঁটিতে রাখা হয়েছে। বর্তমানে শ্রীলঙ্কায় মোট ২৫১ জন ইরানি নাবিক অবস্থান করছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরেকটি ইরানি জাহাজ শ্রীলঙ্কা অতিক্রম করে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের কোচি বন্দরে আশ্রয় নিয়েছে। জাহাজটির ১৮৩ জন ক্রু বর্তমানে ভারতের হেফাজতে রয়েছেন। শ্রীলঙ্কা ও ভারত উভয় দেশই জানিয়েছে, মানবিক কারণে ইরানি নাবিকদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। কারণ আশঙ্কা করা হচ্ছিল, সমুদ্রে থাকলে তারাও মার্কিন হামলার শিকার হতে পারতেন।
What's Your Reaction?