ভারত ম্যাচ বয়কটে যেসব ক্ষতির মুখে পাকিস্তান
পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। তবে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচটি তারা বয়কট করেছে। এর কারণ স্পষ্ট না করলেও পাকিস্তান সরকার পিসিবিকে এই নির্দেশ দিয়ে টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে।
এদিকে ভারতের সঙ্গে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তানের বেশ কিছু ক্ষতি হবে। ওই ম্যাচের ২ পয়েন্ট ভারত পেয়ে যাবে। আইসিসির ১৬.১০.৭ ধারা অনুযায়ী, কোনো দল ম্যাচ না খেললে তা তাদের নেট রানরেটে প্রভাব ফেলে। তবে ভারতের নেট রানরেটে কোনো প্রভাব পড়বে না।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই অর্থের ঝনঝনানি। কিন্তু প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলছে না দেশ দুটি। বিষয়টি মাথায় রেখে এক যুগ ধরে প্রতিটি ইভেন্টের গ্রুপ পর্বে আইসিসি এই দুই দলের কোনো না কোনো ম্যাচ রাখছে। স্বভাবত পাকিস্তানও এর লভ্যাংশ পায়। এবার ভারতের সঙ্গে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তান সেই লভ্যাংশ পাবে না।
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছে। বিষয়টি পিসিবি এখনো আইসিসিকে অবহিত করেনি। যদিও গণমাধ্যমের খবরে আসার পর তা আইসিসির নজরে এসেছে। পিসিবিকে দেশের ক্রিকেটের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচন
পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। তবে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচটি তারা বয়কট করেছে। এর কারণ স্পষ্ট না করলেও পাকিস্তান সরকার পিসিবিকে এই নির্দেশ দিয়ে টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে।
এদিকে ভারতের সঙ্গে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তানের বেশ কিছু ক্ষতি হবে। ওই ম্যাচের ২ পয়েন্ট ভারত পেয়ে যাবে। আইসিসির ১৬.১০.৭ ধারা অনুযায়ী, কোনো দল ম্যাচ না খেললে তা তাদের নেট রানরেটে প্রভাব ফেলে। তবে ভারতের নেট রানরেটে কোনো প্রভাব পড়বে না।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই অর্থের ঝনঝনানি। কিন্তু প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলছে না দেশ দুটি। বিষয়টি মাথায় রেখে এক যুগ ধরে প্রতিটি ইভেন্টের গ্রুপ পর্বে আইসিসি এই দুই দলের কোনো না কোনো ম্যাচ রাখছে। স্বভাবত পাকিস্তানও এর লভ্যাংশ পায়। এবার ভারতের সঙ্গে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তান সেই লভ্যাংশ পাবে না।
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছে। বিষয়টি পিসিবি এখনো আইসিসিকে অবহিত করেনি। যদিও গণমাধ্যমের খবরে আসার পর তা আইসিসির নজরে এসেছে। পিসিবিকে দেশের ক্রিকেটের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করার সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি।
এক বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, এই ধরনের নির্বাচিত অংশগ্রহণের অবস্থান একটি বৈশ্বিক ক্রীড়া ইভেন্টের মৌলিক ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, যেখানে সব যোগ্য দলের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সমান শর্তে প্রতিযোগিতা করার কথা। আইসিসি টুর্নামেন্টগুলো ক্রীড়াগত সততা, প্রতিযোগিতামূলক মান, ধারাবাহিকতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে গঠিত, আর নির্বাচিত অংশগ্রহণ এই প্রতিযোগিতাগুলোর চেতনা ও পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ন করে।
পাকিস্তানের জাতীয় নীতির বিষয়ে সরকারের ভূমিকার প্রতি আইসিসি সম্মান জানালেও এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক ক্রিকেট বা সারা বিশ্বের সমর্থকদের কল্যাণের পক্ষে নয়। এর মধ্যে পাকিস্তানের লাখ লাখ ভক্তও অন্তর্ভুক্ত।
আইসিসি আশা করে, পিসিবি তাদের নিজ দেশের ক্রিকেটের ওপর এর গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করবে, কারণ এটা বৈশ্বিক ক্রিকেট ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। পিসিবি নিজেও এর একজন সদস্য ও সুবিধাভোগী।