ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক সাংস্কৃতিকভাবে গভীরভাবে যুক্ত: সহকারী হাইকমিশনার
ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ এবং দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিকভাবে গভীর যোগসূত্র রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ভবনে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে মনোজ কুমার বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মানুষের মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী সাংস্কৃতিক বন্ধন, যা ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি আশা করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে দুই দেশ ভবিষ্যতে আরও অগ্রসর হবে।
তিনি আরও বলেন, যোগব্যায়ামের ইতিহাস, স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এবং বিশ্বব্যাপী এর বিস্তৃত প্রসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, রাজশাহী–৩ ও রাজশাহী–৫ আসনের সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত
ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ এবং দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিকভাবে গভীর যোগসূত্র রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ভবনে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে মনোজ কুমার বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মানুষের মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী সাংস্কৃতিক বন্ধন, যা ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি আশা করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে দুই দেশ ভবিষ্যতে আরও অগ্রসর হবে।
তিনি আরও বলেন, যোগব্যায়ামের ইতিহাস, স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এবং বিশ্বব্যাপী এর বিস্তৃত প্রসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, রাজশাহী–৩ ও রাজশাহী–৫ আসনের সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
পরে বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগব্যায়াম অনুশীলনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে নিয়মিত যোগব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।