ভারতে পুলিশ অ্যাকাডেমিতে নারী সহকর্মীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ
ভারতের হায়দরাবাদের ন্যাশনাল পুলিশ অ্যাকাডেমিতে (এনপিএ) এক নারী আইপিএস প্রশিক্ষণার্থীকে যৌন হয়রানি, শারীরিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহারের অভিযোগে এক প্রশিক্ষণার্থী আইপিএস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম উদয় কৃষ্ণ রেড্ডি। তিনি এনপিএর একজন প্রশিক্ষণার্থী আইপিএস কর্মকর্তা। অভিযোগের ভিত্তিতে হায়দরাবাদের আট্টাপুর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। প্রথম তথ্য প্রতিবেদন (এফআইআর) অনুযায়ী, ৩০ বছর বয়সী ভুক্তভোগী নারী প্রশিক্ষণার্থী অভিযোগ করেছেন, গত ২৩ জুন থেকে উদয় কৃষ্ণ রেড্ডি তাকে হোয়াটসঅ্যাপে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ও আপত্তিকর বার্তা পাঠাতে শুরু করেন। পাশাপাশি অন্য প্রশিক্ষণার্থীদের সামনেও তাকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্ত তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মিথ্যা গুজব ছড়ান এবং অন্য এক প্রশিক্ষণার্থীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে বলে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে তা স্বীকার করতে চাপ দেন। এতে তিনি মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হন। এছাড়া গত ৮ জুলাই অভিযুক্ত জোর করে ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন নিয়ে তার পাসওয়ার্ড জানতে চান এবং ব্যক্
ভারতের হায়দরাবাদের ন্যাশনাল পুলিশ অ্যাকাডেমিতে (এনপিএ) এক নারী আইপিএস প্রশিক্ষণার্থীকে যৌন হয়রানি, শারীরিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহারের অভিযোগে এক প্রশিক্ষণার্থী আইপিএস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম উদয় কৃষ্ণ রেড্ডি। তিনি এনপিএর একজন প্রশিক্ষণার্থী আইপিএস কর্মকর্তা। অভিযোগের ভিত্তিতে হায়দরাবাদের আট্টাপুর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে।
প্রথম তথ্য প্রতিবেদন (এফআইআর) অনুযায়ী, ৩০ বছর বয়সী ভুক্তভোগী নারী প্রশিক্ষণার্থী অভিযোগ করেছেন, গত ২৩ জুন থেকে উদয় কৃষ্ণ রেড্ডি তাকে হোয়াটসঅ্যাপে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ও আপত্তিকর বার্তা পাঠাতে শুরু করেন। পাশাপাশি অন্য প্রশিক্ষণার্থীদের সামনেও তাকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্ত তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মিথ্যা গুজব ছড়ান এবং অন্য এক প্রশিক্ষণার্থীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে বলে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে তা স্বীকার করতে চাপ দেন। এতে তিনি মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হন।
এছাড়া গত ৮ জুলাই অভিযুক্ত জোর করে ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন নিয়ে তার পাসওয়ার্ড জানতে চান এবং ব্যক্তিগত বার্তা দেখেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার অজান্তে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ করে সেটি তার স্বামীর কাছে পাঠানো হয়, যাতে তাকে ব্ল্যাকমেইল ও সামাজিকভাবে হেয় করা যায়।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগটি ৯ জুলাই রাতের। এফআইআরে বলা হয়েছে, ওই রাতে অভিযুক্ত জোরপূর্বক নারী সহকর্মীকে নিজের কক্ষে নিয়ে যান, তার চুল টেনে ধরেন, শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন এবং গলায় ছুরি ধরে কক্ষ থেকে বের হতে বাধা দেন। এ সময় তার দিকে তিনটি কনডমের প্যাকেট ছুড়ে মারারও অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তাকে স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করার চেষ্টা এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগও করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, পরদিন ১০ জুলাইও অভিযুক্ত তাকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করেন।
এ ঘটনায় হায়দরাবাদ পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর বিভিন্ন ধারা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।
সূত্র: এনডিটিভি
এমএসএম
What's Your Reaction?