ভারতে প্রেমের সম্পর্কের জেরে মা-ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল তরুণীর 

ভারতের তামিলনাড়ুর তুতিকোরিন জেলায় ১৯ বছর বয়সী এক তরুণীকে তার প্রেমের সম্পর্কের বিরোধিতার জেরে হত্যার অভিযোগে তার মা ও ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রথমে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হলেও পরে ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিহত তরুণীর নাম অবিসেলভি। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তার মা এবং ভাই থিরুঞানাম। অভিযোগ অনুযায়ী, তরুণীর প্রেমঘটিত সম্পর্ককে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।   তরুণীর পরিবার প্রথমে দাবি করে যে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ওই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। তবে ময়নাতদন্তের পর সন্দেহ বাড়ে। এরপর তদন্তে পুলিশ দাবি করে, পারিবারিক বিরোধের সময় থিরুঞানাম তার বোনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন এবং পরে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে সাজানোর চেষ্টা করা হয়। পুলিশ আরও জানায়, তাকে তার মা সহায়তা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি ঘটনাটি গোপন করে আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপন করেন।  একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে অন্য কোনো কারণের

ভারতে প্রেমের সম্পর্কের জেরে মা-ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল তরুণীর 
ভারতের তামিলনাড়ুর তুতিকোরিন জেলায় ১৯ বছর বয়সী এক তরুণীকে তার প্রেমের সম্পর্কের বিরোধিতার জেরে হত্যার অভিযোগে তার মা ও ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রথমে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হলেও পরে ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিহত তরুণীর নাম অবিসেলভি। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তার মা এবং ভাই থিরুঞানাম। অভিযোগ অনুযায়ী, তরুণীর প্রেমঘটিত সম্পর্ককে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।   তরুণীর পরিবার প্রথমে দাবি করে যে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ওই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। তবে ময়নাতদন্তের পর সন্দেহ বাড়ে। এরপর তদন্তে পুলিশ দাবি করে, পারিবারিক বিরোধের সময় থিরুঞানাম তার বোনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন এবং পরে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে সাজানোর চেষ্টা করা হয়। পুলিশ আরও জানায়, তাকে তার মা সহায়তা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি ঘটনাটি গোপন করে আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপন করেন।  একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে অন্য কোনো কারণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তরা নিহতের পুরুষ বন্ধুকে ব্যক্তিগতভাবে চিনতেন না, শুধু নাম জানতেন এবং একটি ছবি দেখেছেন।’   এই ঘটনার পর রাজনৈতিক দলগুলো এর বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে। তদন্ত শেষে পুলিশ মা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে এবং পুরো ঘটনাটি নিয়ে আরও তদন্ত চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow