ভারতে ব্লক ককরোচ জনতা পার্টির এক্স অ্যাকাউন্ট

ভারতে ব্লক করে দেওয়া হয়েছে আলোচিত ব্যঙ্গধর্মী প্ল্যাটফর্ম ‘ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)’র এক্স অ্যাকাউন্ট। বৃহস্পতিবার (২১ মে) নিজের ব্যক্তিগত এক্স হ্যান্ডেলে এ তথ্য জানিয়েছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি লেখেন, যা হওয়ার ছিল, সেটাই হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির এক্স অ্যাকাউন্ট ভারতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্ক্রিনশটে দেখা যায়, আইনি দাবির প্রেক্ষিতে ভারতে অ্যাকাউন্টটি স্থগিত করেছে এক্স কর্তৃপক্ষ। তবে এক্সে নিষিদ্ধ হলেও সিজেপির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট এখনো সচল রয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেখানে অনুসারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ৩৪ লাখ। মাত্র কয়েকদিন আগে আত্মপ্রকাশ করা এই ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্মটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংগঠনটি নিজেদের তারা পরিচয় দেয়, তরুণদের জন্য, তরুণদের দ্বারা গঠিত রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে। একই সঙ্গে নিজেদের অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর বলেও দাবি করে তারা। সিজেপির ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি স্যাটায়ার বা রাজনৈতিক ব্যঙ্গধর্মী উদ্যোগ। এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে নিজেকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা

ভারতে ব্লক ককরোচ জনতা পার্টির এক্স অ্যাকাউন্ট

ভারতে ব্লক করে দেওয়া হয়েছে আলোচিত ব্যঙ্গধর্মী প্ল্যাটফর্ম ‘ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)’র এক্স অ্যাকাউন্ট। বৃহস্পতিবার (২১ মে) নিজের ব্যক্তিগত এক্স হ্যান্ডেলে এ তথ্য জানিয়েছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি লেখেন, যা হওয়ার ছিল, সেটাই হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির এক্স অ্যাকাউন্ট ভারতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

স্ক্রিনশটে দেখা যায়, আইনি দাবির প্রেক্ষিতে ভারতে অ্যাকাউন্টটি স্থগিত করেছে এক্স কর্তৃপক্ষ।

তবে এক্সে নিষিদ্ধ হলেও সিজেপির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট এখনো সচল রয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেখানে অনুসারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ৩৪ লাখ।

মাত্র কয়েকদিন আগে আত্মপ্রকাশ করা এই ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্মটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংগঠনটি নিজেদের তারা পরিচয় দেয়, তরুণদের জন্য, তরুণদের দ্বারা গঠিত রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে। একই সঙ্গে নিজেদের অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর বলেও দাবি করে তারা।

সিজেপির ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি স্যাটায়ার বা রাজনৈতিক ব্যঙ্গধর্মী উদ্যোগ। এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে নিজেকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেন।

ওয়েবসাইটে দলটিতে যোগ দেওয়ার জন্য একটি নিবন্ধন ফরমও রয়েছে। তাদের দাবি, ইতোমধ্যে ৬ লাখের বেশি মানুষ সেখানে নাম নিবন্ধন করেছেন।

এদিকে নিজেদের ঘোষণাপত্রেও বেশ কিছু চমকপ্রদ দাবি তুলেছে সিজেপি। এর মধ্যে রয়েছে, প্রধান বিচারপতিদের অবসরের পর রাজ্যসভায় যাওয়ার সুযোগ বন্ধ, সংসদ সদস্য সংখ্যা না বাড়িয়েই নারীদের জন্য ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ এবং দলবদলকারী জনপ্রতিনিধিদের জন্য ২০ বছরের নির্বাচনী নিষেধাজ্ঞা।

এছাড়া শিক্ষাব্যবস্থা, বেকারত্ব এবং তরুণদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়েও সরব হয়েছে সিজেপি।

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের মতো ভারতেও ‘জেন জি’ প্রজন্মের হতাশা জমতে শুরু করেছে। আর সেই ক্ষোভেরই ডিজিটাল প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’।

যদিও এটি শেষ পর্যন্ত বাস্তব রাজনৈতিক দলে রূপ নেবে, নাকি শুধুই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক ব্যঙ্গ আন্দোলন হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকবে; তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ভারতের তরুণদের একাংশ যে প্রচলিত রাজনীতিতে নিজেদের প্রতিনিধিত্ব খুঁজে পাচ্ছেন না, সিজেপির উত্থান যেন সেই বার্তাই আরও জোরালো করে তুলছে।

সূত্র : এনডিটিভি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow