ভারতে মেয়েদের সাফ হলেই পাকিস্তানের ‘না’

কক্সবাজার থেকে ২০১০ সালে যাত্রা করা মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ এ পর্যন্ত হয়েছে ৭টি। কক্সবাজার, কলম্বো, ইসলামাবাদ, শিলিগুঁড়ি, বিরাটনগর ও টানা দুইবার কাঠমান্ডুতে। দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের সবচেয়ে বড় এই ফুটবল প্রতিযোগিতার পরের আসর বসবে ভারতের গোয়ায় আগামী ২৫ মে থেকে ৭ জুন। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ভারতে হতে চলছে নারীদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। প্রথম ও সর্বশেষ হয়েছিল ২০১৬ সালে শিলিগুঁড়িতে। ১০ বছর আগে ভারতে হওয়া মেয়েদের সাফে খেলেনি পাকিস্তান। খেলছে না এবারও। ভারতে মেয়েদের সাফ হওয়া মানেই পাকিস্তানের ‘না’। দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপড়েনের নেতিবাচক প্রভাব খেলার মাঠেও পড়ে। পুরুষদের সর্বশেষ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ হয়েছিল ২০২৩ সালে ভারতের বেঙ্গালুরুতে। ভিসা নিয়ে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে পাকিস্তান খেলতে গিয়েছিল ভারতে। তিন বছর আগের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে এবার নারী সাফে এন্ট্রিই করেনি পাকিস্তান। এ নিয়ে তৃতীয়বার পাকিস্তানকে ছাড়া হতে যাচ্ছে মেয়েদের সাফ। ২০১৯ সালে নেপালের বিরাটনগরে হওয়া সাফেও ছিল না পাকিস্তানের মেয়েরা। দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের এই টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের পারফরম্যান্স উল্লেখ করার মতো নয়। কক্সবাজারে প্রথম আসরে

ভারতে মেয়েদের সাফ হলেই পাকিস্তানের ‘না’

কক্সবাজার থেকে ২০১০ সালে যাত্রা করা মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ এ পর্যন্ত হয়েছে ৭টি। কক্সবাজার, কলম্বো, ইসলামাবাদ, শিলিগুঁড়ি, বিরাটনগর ও টানা দুইবার কাঠমান্ডুতে। দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের সবচেয়ে বড় এই ফুটবল প্রতিযোগিতার পরের আসর বসবে ভারতের গোয়ায় আগামী ২৫ মে থেকে ৭ জুন। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ভারতে হতে চলছে নারীদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। প্রথম ও সর্বশেষ হয়েছিল ২০১৬ সালে শিলিগুঁড়িতে।

১০ বছর আগে ভারতে হওয়া মেয়েদের সাফে খেলেনি পাকিস্তান। খেলছে না এবারও। ভারতে মেয়েদের সাফ হওয়া মানেই পাকিস্তানের ‘না’। দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপড়েনের নেতিবাচক প্রভাব খেলার মাঠেও পড়ে। পুরুষদের সর্বশেষ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ হয়েছিল ২০২৩ সালে ভারতের বেঙ্গালুরুতে। ভিসা নিয়ে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে পাকিস্তান খেলতে গিয়েছিল ভারতে।

তিন বছর আগের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে এবার নারী সাফে এন্ট্রিই করেনি পাকিস্তান। এ নিয়ে তৃতীয়বার পাকিস্তানকে ছাড়া হতে যাচ্ছে মেয়েদের সাফ। ২০১৯ সালে নেপালের বিরাটনগরে হওয়া সাফেও ছিল না পাকিস্তানের মেয়েরা।

দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের এই টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের পারফরম্যান্স উল্লেখ করার মতো নয়। কক্সবাজারে প্রথম আসরে সেমিফাইনাল পর্যন্ত উঠতে পেরেছিল। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ভারতের কাছে হেরেছিল ৮-০ গোলে। পরের ৬ আসরের চারটিতে অংশ নিয়ে বিদায় নিয়েছে গ্রুপ পর্ব থেকেই।

ভারতে হওয়া মেয়েদের সাফে পাকিস্তান অনুপস্থিত থাকলেও ভারত ২০১৪ সালে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে হওয়া আসরে অংশ নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফিরেছিল। এই টুর্নামেন্টে ভারত প্রথম পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সর্বশেষ দুইবার হয়েছে বাংলাদেশ। সর্বাধিক ৬ বার ফাইনালে উঠেও নেপাল এখনো পায়নি শিরোপার স্বাদ।

বাংলাদেশের সামনে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ এ বছর। বাংলাদেশ এবার আয়োজক হলে সেই সুযোগ কাজে লাগানোর সম্ভাবনা বাড়তো। ২০১০ সালের পর বাংলাদেশ এই টুর্নামেন্ট আয়োজনও করেনি। তাই এবারের সাফের আয়োজক হওয়ার প্রধান দাবিদার হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।

বাফুফে আয়োজক হওয়ার চেষ্টা করেছিল কিনা, জানার চেষ্টায় সভাপতি তাবিথ আউয়াল ও সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষারকে ফোন করা হলেও ধরেননি। সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম ক্যাটেলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেছেন, ‘এ বছর আয়োজক হওয়ার আবেদনের কোনো সুযোগ ছিল না। সাফের নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তে ভারতে টুর্নামেন্ট আয়োজন হতে যাচ্ছে।’

আরআই/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow