ভারতের বাজারে এলো সপ্তাহে একবার নেওয়ার ইনসুলিন ‘আউইক্লি’
সপ্তাহে একবার নেওয়ার ইনসুলিন ইনজেকশন ‘আউইক্লি’ ভারতের বাজারে এনেছে ডেনমার্কভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নোভো নরডিস্ক। প্রতিদিন ইনসুলিন নেওয়ার বিকল্প হিসেবে নতুন এ ওষুধটি বাজারজাত করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির মতে, ‘আউইক্লি’ বিশ্বের প্রথম ক্লিনিক্যাল ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত সপ্তাহে একবার গ্রহণযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি ইনসুলিন। এটি প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ-১ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হবে। খবর রয়টার্সের।
নোভো নরডিস্ক জানিয়েছে, এই ইনসুলিন ব্যবহারে বছরে ৩৬৫টি ইনজেকশনের পরিবর্তে মাত্র ৫২টি ইনজেকশন নিলেই চলবে।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নোভো নরডিস্ক ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিক্রান্ত শ্রোত্রিয়া জানান, ৭০ ইউনিটের এক সপ্তাহের ডোজের দাম রাখা হয়েছে ২৬১ রুপি। এটি দুটি সংস্করণে পাওয়া যাবে। ১ মিলিলিটারের (৭০০ ইউনিট) দাম ২ হাজার ৬১১ রুপি এবং ৩ মিলিলিটারের (২ হাজার ১০০ ইউনিট) দাম ৭ হাজার ৮৩৩ রুপি।
নোভো নরডিস্কের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে বর্তমানে ১০ কোটি ১০ লাখের বেশি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এ ছাড়া আরও প্রায় ১৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষ প্রি-ডায়াবেটিসে ভুগছেন।
প্রতিষ্ঠানটি আরও
সপ্তাহে একবার নেওয়ার ইনসুলিন ইনজেকশন ‘আউইক্লি’ ভারতের বাজারে এনেছে ডেনমার্কভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নোভো নরডিস্ক। প্রতিদিন ইনসুলিন নেওয়ার বিকল্প হিসেবে নতুন এ ওষুধটি বাজারজাত করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির মতে, ‘আউইক্লি’ বিশ্বের প্রথম ক্লিনিক্যাল ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত সপ্তাহে একবার গ্রহণযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি ইনসুলিন। এটি প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ-১ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হবে। খবর রয়টার্সের।
নোভো নরডিস্ক জানিয়েছে, এই ইনসুলিন ব্যবহারে বছরে ৩৬৫টি ইনজেকশনের পরিবর্তে মাত্র ৫২টি ইনজেকশন নিলেই চলবে।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নোভো নরডিস্ক ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিক্রান্ত শ্রোত্রিয়া জানান, ৭০ ইউনিটের এক সপ্তাহের ডোজের দাম রাখা হয়েছে ২৬১ রুপি। এটি দুটি সংস্করণে পাওয়া যাবে। ১ মিলিলিটারের (৭০০ ইউনিট) দাম ২ হাজার ৬১১ রুপি এবং ৩ মিলিলিটারের (২ হাজার ১০০ ইউনিট) দাম ৭ হাজার ৮৩৩ রুপি।
নোভো নরডিস্কের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে বর্তমানে ১০ কোটি ১০ লাখের বেশি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এ ছাড়া আরও প্রায় ১৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষ প্রি-ডায়াবেটিসে ভুগছেন।
প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ইনজেকশনের ভয়, ব্যথার আশঙ্কা এবং ব্যয়ের কারণে ভারতে রোগীরা গড়ে ৭ থেকে ৯ বছর দেরিতে ইনসুলিন নেওয়া শুরু করেন।
বিক্রান্ত শ্রোত্রিয়া বলেন, বর্তমানে ভারতে প্রায় ৬০ লাখ মানুষ ইনসুলিন ব্যবহার করছেন। অদূর ভবিষ্যতে এই সংখ্যা ৯০ লাখে পৌঁছাবে বলে তাদের ধারণা, যা প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
‘ইনসুলিন আইকোডেক’ নামে পরিচিত ‘আউইক্লি’ চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে অনুমোদন পায়। এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আরও কয়েকটি দেশেও এটি অনুমোদিত হয়েছে। সপ্তম দেশ হিসেবে ওষুধটি ভারতের বাজারে আনা হলো।