ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি: সাময়িকভাবে সাজেক ভ্যালিতে পর্যটন বন্ধ ঘোষণা
ক্রমাগত ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ধসের তীব্র ঝুঁকিতে জানমালের নিরাপত্তা রক্ষার্থে রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাজেক ভ্যালি পর্যটন কেন্দ্রটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে জেলা প্রশাসন নিশ্চিত করেছে। রাঙ্গামাটির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা আশরাফী স্বাক্ষরিত এক জরুরী গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় অবিরত ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর ফলে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যে পাহাড়ধস ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পর্যটক ও স্থানীয় জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এদিকে রাতভর বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে দীঘিনালা-সাজেক-বাঘাইছড়ি সড়ক। এতে করে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে সাজেক ও বাঘাইছড়ির সাথে। প্রশাসনের নির্দেশনানুযায়ী, সাজেক ভ্যালির সকল পর্যটন কেন্দ্র সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার পাশাপাশি ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল কিংবা যেকোনো দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক,
ক্রমাগত ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ধসের তীব্র ঝুঁকিতে জানমালের নিরাপত্তা রক্ষার্থে রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাজেক ভ্যালি পর্যটন কেন্দ্রটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে জেলা প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।
রাঙ্গামাটির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা আশরাফী স্বাক্ষরিত এক জরুরী গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় অবিরত ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর ফলে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যে পাহাড়ধস ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পর্যটক ও স্থানীয় জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে রাতভর বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে দীঘিনালা-সাজেক-বাঘাইছড়ি সড়ক। এতে করে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে সাজেক ও বাঘাইছড়ির সাথে।
প্রশাসনের নির্দেশনানুযায়ী, সাজেক ভ্যালির সকল পর্যটন কেন্দ্র সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার পাশাপাশি ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল কিংবা যেকোনো দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটরসহ সর্বসাধারণের যাতায়াত কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া পুরো জেলায় চলাচলের ক্ষেত্রে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নির্দেশনা বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে অনুলিপি পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের পার্বত্য অঞ্চলে ভ্রমণের পরিকল্পনা স্থগিত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
What's Your Reaction?