ভারী বৃষ্টিপাতে জলাবদ্ধতা, গাইবান্ধায় জনদুর্ভোগ

গাইবান্ধায় ভারী বৃষ্টিপাতে শহরের বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এছাড়া অনেক বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় ভোগান্তি আরও বেড়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টা থেকে বুধবার (৮ জুলাই) বিকাল ৩টা পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলায় ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি চলতি বছরে জেলার সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। রংপুর আবহাওয়া কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. মোস্তাফিজ এই তথ্য নিশ্চিত করছেন। এদিকে টানা বৃষ্টিতে পৌর শহরে মধ্যপাড়া, সান্দারপট্টি, শাপলাপাড়া, স্টোশন রোড, মাতৃসজন, হাসপাতাল রোড, ডিসি অফিস চত্তর, মুন্সিপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে যায়। এতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। স্টেশন রোড এলাকার ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন বলেন, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, দখল, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা কারণে পানি দ্রুত নিষ্কাশন হচ্ছে না। ফলে সামান্য ভারী বৃষ্টিতেই শহরের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আলিফা বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তা তলে যায়, নোংরা পানির মধ্যে দিয়ে স্কুলে যেত

ভারী বৃষ্টিপাতে জলাবদ্ধতা, গাইবান্ধায় জনদুর্ভোগ

গাইবান্ধায় ভারী বৃষ্টিপাতে শহরের বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এছাড়া অনেক বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টা থেকে বুধবার (৮ জুলাই) বিকাল ৩টা পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলায় ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি চলতি বছরে জেলার সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। রংপুর আবহাওয়া কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. মোস্তাফিজ এই তথ্য নিশ্চিত করছেন।

এদিকে টানা বৃষ্টিতে পৌর শহরে মধ্যপাড়া, সান্দারপট্টি, শাপলাপাড়া, স্টোশন রোড, মাতৃসজন, হাসপাতাল রোড, ডিসি অফিস চত্তর, মুন্সিপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে যায়। এতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

স্টেশন রোড এলাকার ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন বলেন, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, দখল, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা কারণে পানি দ্রুত নিষ্কাশন হচ্ছে না। ফলে সামান্য ভারী বৃষ্টিতেই শহরের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।

মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আলিফা বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তা তলে যায়, নোংরা পানির মধ্যে দিয়ে স্কুলে যেতে হয়। এছাড়া স্কুল মাঠ ভরে উঠলে ক্লাস রুমে পানি ঢোকে। এতে নানা ধরনের সমস্যা হয়।

শহরের পার্ক রোডের বাসিন্দা শ্রী অমল চন্দ্র বলেন, বৃষ্টি হলেই এলাকায় হাঁটু পানি জমে যায়। চলাফেরায় খুব সমস্যা হয়। জীবনে অনেক জনপ্রতিনিধির শুধু আশ্বাসের বাণী শুনছি। কিন্তু কেউ সমস্যা সমাধান করে নাই।

গাইবান্ধা সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর কবির তনু বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই শহরের ৭০ ভাগ রাস্তা তলে যায়। পৌরসভার অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পানি নিষ্কাশনের যথেষ্ট ব্যবস্থা না থাকার কারণেই শহরবাসীকে ভোগান্তি পোহাতে হয়। এর দ্রুত সমাধোনের দাবি করেন তিনি।

গাইবান্ধা পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল হানিফ সরদার বলেন, শহরের যে সব রাস্তা বৃষ্টির পানি জমে সেগুলো নিচু। এছাড়া শহরের ব্যবসায়ীরাসহ বসবাসকারীরা অপরিকল্পিতভাবে ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা ফেলায় পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে এবং জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

আনোয়ার আল শামীম/এসজেডএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow