ভিক্টর ক্লাসিক বাসে নারীকে ধর্ষণের হুমকি, আটক ২

গাজীপুরের টঙ্গীতে ‘ভিক্টর ক্লাসিক’ বাসে এক নারীকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চালকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় অপর এক যাত্রীকে মারধরের ঘটনায় টঙ্গী পশ্চিম থানায় মারধর ও হত্যাচেষ্টার মামলা করা হয়েছে। পরে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৩ জানুয়ারি) এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন খান। ওসি বলেন, ঘটনার দিন চালক ও তার সহকারীকে আটক করা হয়েছে। তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। বাসটি জব্দ করা আছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১ জানুয়ারি উত্তরা বিএনএস এলাকা থেকে টঙ্গীর হোসেন মার্কেটের উদ্দেশে ভিক্টর ক্লাসিক বাসে ওঠেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইতিহাস বিভাগের ১৬তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মো. নাঈম ইসলামের স্ত্রী। তিনি বাসটির চালকের পাশের সংরক্ষিত নারী আসনে বসেছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, ভুক্তভোগী নারী নিজেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিবারের সদস্য পরিচয় দেওয়ার পর চালক উসকানিমূলক ও অশালীন মন্তব্য করতে থাকেন। একপর্যায়ে বাসটি সফিউদ্দিন সরকার একাডেমির

ভিক্টর ক্লাসিক বাসে নারীকে ধর্ষণের হুমকি, আটক ২
গাজীপুরের টঙ্গীতে ‘ভিক্টর ক্লাসিক’ বাসে এক নারীকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চালকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় অপর এক যাত্রীকে মারধরের ঘটনায় টঙ্গী পশ্চিম থানায় মারধর ও হত্যাচেষ্টার মামলা করা হয়েছে। পরে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৩ জানুয়ারি) এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন খান। ওসি বলেন, ঘটনার দিন চালক ও তার সহকারীকে আটক করা হয়েছে। তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। বাসটি জব্দ করা আছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১ জানুয়ারি উত্তরা বিএনএস এলাকা থেকে টঙ্গীর হোসেন মার্কেটের উদ্দেশে ভিক্টর ক্লাসিক বাসে ওঠেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইতিহাস বিভাগের ১৬তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মো. নাঈম ইসলামের স্ত্রী। তিনি বাসটির চালকের পাশের সংরক্ষিত নারী আসনে বসেছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, ভুক্তভোগী নারী নিজেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিবারের সদস্য পরিচয় দেওয়ার পর চালক উসকানিমূলক ও অশালীন মন্তব্য করতে থাকেন। একপর্যায়ে বাসটি সফিউদ্দিন সরকার একাডেমির সামনে ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কাছে পৌঁছালে নাঈম ইসলাম মোবাইলে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন। তখন চালক তাকে গাড়ির জানালার সঙ্গে ধাক্কা দেন এবং মোবাইলটি ফেলে দেন। এ সময় ভুক্তভোগী নারী বাসটি পুলিশ বক্সের সামনে থামাতে বললে চালক তা অস্বীকার করেন। তিনি চিৎকার শুরু করলে চালক বাসের ভেতরেই তাকে ধর্ষণের হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়। বাসে থাকা নূরনবী নামের এক যাত্রী এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে এগিয়ে এলে চালক, তার সহকারী ও যাত্রীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে হোসেন মার্কেট এলাকায় বাসটি থামলে যাত্রীদের সহায়তায় ওই নারীকে নিরাপদে নামিয়ে দেওয়া হয়। তবে সবাই নেমে যাওয়ার পর নূরনবীকে একা পেয়ে চালক ও তার সহকারীসহ তিনজন লোহার রড দিয়ে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় বাসটি আটক করা হয়। চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেলেও অপর এক চালককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ধর্ষণের হুমকি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করেন মো. নাঈম ইসলাম। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার পর রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাস মালিক সমিতির ১৫-২০ জন থানায় এসে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেন। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্ত চালক চার দিন আগে উত্তরা পূর্ব থানা থেকে একটি মাদক মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow