ভুলের জন্য নাহিদ ইসলামদের ক্ষমা চাওয়া উচিত: রাশেদ খাঁন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের ‘পরামর্শে গঠিত’ অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘নতুনভাবে বৈধতা দিয়েছিল’ বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। এছাড়া ভুলের জন্য বরং নাহিদ ইসলামদের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। নাহিদ ইসলামরা যদি সংবিধান মেনে সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ না নিয়ে বিপ্লবী সরকার গঠন করতো, সেক্ষেত্রে দায়মুক্তির প্রসঙ্গ আসতো না। এবং সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকতো।’ ‘কিন্তু সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নেওয়ার মাধ্যমে তাকে একপ্রকার ক্ষমা করে দিয়ে নতুনভাবে বৈধতা দিয়েছিল নাহিদ ইসলামদের পরামর্শে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার,’ যোগ করেন তিনি। ‘কাউকে ক্ষমা করলে তার আবার বিচার দাবি করতে পারেন না’—উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পোস্টে বলেন, ‘বরং নাহিদ ইসলা

ভুলের জন্য নাহিদ ইসলামদের ক্ষমা চাওয়া উচিত: রাশেদ খাঁন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের ‘পরামর্শে গঠিত’ অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘নতুনভাবে বৈধতা দিয়েছিল’ বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। এছাড়া ভুলের জন্য বরং নাহিদ ইসলামদের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। নাহিদ ইসলামরা যদি সংবিধান মেনে সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ না নিয়ে বিপ্লবী সরকার গঠন করতো, সেক্ষেত্রে দায়মুক্তির প্রসঙ্গ আসতো না। এবং সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকতো।’

‘কিন্তু সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নেওয়ার মাধ্যমে তাকে একপ্রকার ক্ষমা করে দিয়ে নতুনভাবে বৈধতা দিয়েছিল নাহিদ ইসলামদের পরামর্শে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার,’ যোগ করেন তিনি।

‘কাউকে ক্ষমা করলে তার আবার বিচার দাবি করতে পারেন না’—উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পোস্টে বলেন, ‘বরং নাহিদ ইসলামদের ভুলের জন্য তাদেরই উচিত জাতির কাছে ভুল স্বীকার করে দুঃখপ্রকাশ করা। তারা এখন জনগণকে আইওয়াশ করতে রাষ্ট্রপতির বিচার দাবি করছে।’

‘এই বিচার কেন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করেনি’—এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতিকে বহাল রেখে মধু খেয়ে, আবার এখন তার বিচার দাবি করা হাস্যকর!’

উল্লেখ্য, অসুস্থতাজনিত কারণে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে দায়িত্ব নেওয়া সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর পরই তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন নাহিদ ইসলামসহ এনসিপির নেতারা। 

নেত্রকোনার এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচিত হবার পরপরই ফ্যাসিস্টের দোসর রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করা দরকার ছিল। বিএনপি এখন পরিকল্পনা মাফিক রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করিয়েছে। এ খেলা আমরা বুঝি। অসুস্থতা কিংবা অন্য কোনো অজুহাতে এই ফ্যাসিস্টের দোসর রাষ্ট্রপতি সেইফ এক্সিট বা বিদেশে যাতে পালাতে না পারে সেজন্য সজাগ থাকতে হবে। সরকারকে অনতিবিলম্বে দুর্নীতিবাজ রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতার করতে হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow