ভূমিকম্প: সৃষ্টিকর্তার সতর্কবার্তা
সম্প্রতি দক্ষিণ আমেরিকার ভেনেজুয়েলায় শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া, পাকিস্তান, সর্বশেষ আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশেও শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্প মানুষের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে এক সতর্কবার্তা। ভূমিকম্প এটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। আমাদের দেশেও প্রায় প্রতি বছরই কম-বেশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা দেয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কখনও এমনভাবে ধেয়ে আসে যার ফলে গ্রামের পর গ্রাম তছনছ হয়ে যায়। ভূমিকম্প, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, টর্নেডো ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, এসবে মানুষের কোনো হাত নেই। এ ধরনের দুর্যোগ মহান সৃষ্টিকর্তা যে কোনো দেশে এবং যে কোনো শহরে যে কোনো মুহূর্তে ঘটাতে পারেন। এমন এক ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধ্বংসলীলার দৃশ্য গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানার ভয়াবহতা আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সেখানে লাশের মিছিল। জাতিসংঘের ধারণা অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পে এখনো প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্প তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলার
সম্প্রতি দক্ষিণ আমেরিকার ভেনেজুয়েলায় শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া, পাকিস্তান, সর্বশেষ আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশেও শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্প মানুষের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে এক সতর্কবার্তা।
ভূমিকম্প এটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। আমাদের দেশেও প্রায় প্রতি বছরই কম-বেশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা দেয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কখনও এমনভাবে ধেয়ে আসে যার ফলে গ্রামের পর গ্রাম তছনছ হয়ে যায়। ভূমিকম্প, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, টর্নেডো ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, এসবে মানুষের কোনো হাত নেই। এ ধরনের দুর্যোগ মহান সৃষ্টিকর্তা যে কোনো দেশে এবং যে কোনো শহরে যে কোনো মুহূর্তে ঘটাতে পারেন।
এমন এক ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধ্বংসলীলার দৃশ্য গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানার ভয়াবহতা আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সেখানে লাশের মিছিল। জাতিসংঘের ধারণা অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পে এখনো প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্প তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলার জন্য বড়ো বিপদ হয়ে এসেছে।
তাই আমরা কেউ বলতে পারি না কোন সময় ভেনেজুয়েলার মতো এমন ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকারে পরিণত হবে বাংলাদেশ। আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন। তাই এসব প্রাকৃতিক আজাব থেকে সৃষ্টিকর্তা যেন আমাদের নিরাপদ রাখেন এটাই আমাদের প্রার্থনা।
হজরত ওমরের (রা.) শাসনকালে ভূমিকম্প হলে তিনি তার ভাষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা বলেছিলেন। তার এ কথাগুলো আমাদের জন্য আজও পথনির্দেশক। ন্যায়নিষ্ঠ ও আল্লাহভীরু খলিফা হজরত ওমর (রা.) ছিলেন এমন শাসক-যার ভয়ে জমিন কাঁপত, আর যার ইমানের দৃঢ়তায় আসমান গর্ব করত। একবার তার শাসনামলে মদিনা ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। লোকজন ভীত হয়ে পড়ে। তখন হজরত ওমর (রা.) এমন একটি ঘোষণা দেন, যা শুধু সেই যুগকেই নাড়িয়ে দেয়নি, বরং পরবর্তী প্রতিটি যুগের মুমিনের হৃদয়কে জাগিয়ে দেয়।
ইমাম ইবনে আবি শাইবা (রহ.) তার ‘মুসান্নাফ’-এ হজরত ওমর (রা.)এর হাদিসটি বর্ণনা করেন, হজরত সাফওয়ান ইবন উমার (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, শুরাহবিল ইবনিস সিমত বলেছেন, হজরত ওমরের শাসনামলে ভূমিকম্প ঘটে। তখন তিনি (ওমর) লোকদের উদ্দেশে খুতবা দিলেন এবং বললেন, ‘হে মদিনার লোক! তোমরা কত দ্রুত (গুনাহ ও পরিবর্তন) সৃষ্টি করলে! আল্লাহর কসম! যদি ভূমিকম্প আবার ফিরে আসে, আমি তোমাদের মধ্য থেকে বের হয়ে যাব।’ (মুসান্নাফে ইবনে আইবি শাইবা ৩১২১৯)
ইমাম বায়হাকি (রহ.)-এর রেওয়ায়েতে এসেছে, যেখানে হজরত ওমর (রা.) মানুষকে বলেন, ‘মানুষ যে গুনাহ সৃষ্টি করেছে, তার কারণে ভূমিকম্প এসেছে।’ (শু‘আবুল ইমান, বায়হাকি)
ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানার ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করেও যদি আমাদের হুঁশ না হয় তাহলে আর কবে আমাদের হুঁশ হবে? তাই সময় থাকতেই আমাদের দোষ-ত্রুটির জন্য পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে এবং সৎ পথে জীবন পরিচালনা করার অঙ্গীকার করতে হবে।
হজরত ওমরের বক্তব্যের ব্যাখ্যা হজরত ওমর বিন্দুমাত্র বিলম্ব করেননি। ভূমিকম্পকে তিনি শুধু একটি প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখেননি। বরং এটি ছিল আল্লাহর সতর্কবার্তা। তিনি বলেন, ১. ‘তোমরা কত দ্রুত বদলে গেছ!’ এই শব্দগুলো ইঙ্গিত দেয় যে, মদিনার মানুষ হয়ত এমন কিছু পরিবর্তন এনেছিল তাদের আচার, গুনাহ বা আল্লাহর প্রতি অবহেলায়, যা ওমরের চোখে ধরা পড়ে।
২. হজরত ওমর জনগণকে সরাসরি আত্মসমালোচনায় ডাকলেন এবং তিনি বললেন, ভূমিকম্প মানে আল্লাহ অসন্তুষ্ট। এ সংকেত বুঝতে হবে, কেবল ভয় পাওয়াই যথেষ্ট নয়।
৩. ‘যদি (ভূমিকম্প) আবার আসে, (তাহলে) আমি মদিনা ছেড়ে চলে যাব।’
এ কথায় দুইটি বিষয় প্রকাশ পায়, প্রথমত আল্লাহর শাস্তির ভয়। হজরত ওমর (রা.) জানতেন, আল্লাহ শাস্তি দিলে তা সাধারণত তাওবা-বিহীন জনগোষ্ঠীর ওপর আসে। দ্বিতীয়ত শাসকের দায়িত্ব পালন এবং ধর্মীয় নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা। তিনি বোঝাতে চাইলেন, গুনাহ চলমান থাকলে আল্লাহর রহমত নেমে আসে না। একটি জাতির কাজ–কর্মের প্রভাব পুরো সমাজে পড়ে।
আজ পৃথিবীতে যখন ভূমিকম্প, বন্যা, ঝড়–তুফান দেখা দেয়, তখন আমাদেরও হজরত ওমরের মতো বলতে হয়- আমাদের কী পরিবর্তন হয়েছে? আমরা কোথায় ভুল করেছি? কীভাবে আল্লাহর দিকে ফিরে যাব? এ সব প্রাকৃতিক বিপর্যয় শুধু ভয় দেখানোর জন্য নয়, বরং মানুষের ভেতর ঘুমিয়ে থাকা ইমানকে জাগানোর জন্যই আসে।
এক হাদিসে মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জিত হবে, কাউকে বিশ্বাস করে সম্পদ গচ্ছিত রাখা হবে কিন্তু তার খেয়ানত করা হবে, জাকাতকে দেখা হবে জরিমানা হিসেবে, ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়া বিদ্যা অর্জন করা হবে, পুরুষ তার স্ত্রীর আনুগত্য করবে কিন্তু মায়ের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করবে, বন্ধুকে কাছে টেনে নিয়ে পিতাকে দূরে সরিয়ে দেবে, মসজিদে উচ্চৈঃস্বরে শোরগোল হবে, জাতির সবচেয়ে দুর্বল ব্যক্তিটি সমাজের শাসকরূপে আবির্ভূত হবে, সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তি হবে নেতা, একজন মানুষ যে খারাপ কাজ করে খ্যাতি অর্জন করবে, তাকে তার খারাপ কাজের ভয়ে সম্মান প্রদর্শন করা হবে, বাদ্যযন্ত্র এবং নারী শিল্পীর ব্যাপক প্রচলন হবে, মদ পান করা হবে, লোকজন তাদের পূর্ববর্তী মানুষগুলোকে অভিশাপ দেবে, এমন সময় তীব্র বাতাস প্রবাহিত হবে এবং এমন একটি ভূমিকম্প হবে যা সেই ভূমিকে তলিয়ে দেবে। (তিরমিজি: ১৪৪৭)
প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে সতর্ক সংকেত। আল্লাহপাক সতর্ক করছেন যে, তোমরা সহজ-সরল পথ অবলম্বন কর। সমাজ ও দেশের বেশিরভাগ মানুষ যখন পাপ, ব্যভিচার, অন্যায় এবং আল্লাহকে ভুলে বসে তখনই তিনি তার পক্ষ থেকে সতর্ক বার্তা দেন।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহপাক ইরশাদ করেছেন, ‘আর তোমাদের কৃতকর্মের কারণই তোমাদের ওপর বিপদ নেমে আসে। অথচ তিনি অনেক কিছুই উপেক্ষা করে থাকেন।’ (সুরা আশশুরা, আয়াত : ৩০)
আল্লাহতায়ালা আরো ইরশাদ করেছেন, ‘এমন কোনো জনপদ নেই যা আমরা কেয়ামতের আগে ধ্বংস না করব, অথবা অতি কঠোর আজাব দিব।’ (সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত : ৫৮)
আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের হুঁশিয়ারি আজ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পূর্ণ হতে দেখছি। যে-সব আজাব আমরা প্রত্যক্ষ করছি, তা কেয়ামত তথা মহাধ্বংসের লক্ষণ হয়ে প্রকাশিত হচ্ছে। আর এসব পবিত্র কুরআন তথা ইসলামের সত্যতার জ্বলন্ত নিদর্শন বহন করছে।
আল্লাহতায়ালা পরম করুণাময়, তিনি কোনো জাতিকে সাবধান না করে কখনও আজাব অবতীর্ণ করেন না। যেভাবে পবিত্র কুরআনে আল্লাহপাক ইরশাদ করেছেন, ‘আমরা সতর্ক করার জন্য রসুল প্রেরণ না করে কখনও আজাব অবতীর্ণ করি না।’ (সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত : ১৫) ‘নূহের পর আমরা কত প্রজন্মকেই ধ্বংস করেছি। আর তোমার প্রভু প্রতিপালক তার বান্দাদের পাপের খবরাখবর রাখার ক্ষেত্রে এবং পর্যবেক্ষণের ব্যাপারে যথেষ্ট।’ (সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত : ১৭)
পৃথিবীর এমন কোনো দেশ বা এমন কোনো জাতি নেই যার ওপর আজাব না এসেছে, সে যত বড়ো শক্তিধর রাষ্ট্রই হোক না কেন। সব ধরনের আজাবের প্রবল আক্রমণ মানুষের ওপর বারবার আঘাত হানছে। মানব প্রকৃতি বিকৃত হয়েছে। তার কারণে আল্লাহর রুদ্ররূপও মাঝে মধ্যে প্রকাশিত হচ্ছে।
আল্লাহতায়ালা যেভাবে ঘোষণা দিয়েছেন, কোনো সতর্ককারী প্রেরণ না করে তিনি আজাব দেন না, পৃথিবীবাসী যেহেতু আজ আল্লাহর সতর্ককারীর আহ্বানকে ভুলে বসেছে তাই তিনি তার রুদ্ররূপের বহিঃপ্রকাশ দেখাচ্ছেন, মানুষ যেন সতর্ক হয় এবং খোদার শর্তানুযায়ী জীবন পরিচালনা করেন। আল্লাহপাকের পক্ষ থেকে শান্তিস্বরূপ যখন কোনো আজাব আসে তখন তা থেকে রক্ষা পাওয়ার কোনো রাস্তা থাকে না। যেভাবে পবিত্র কুরআনে উল্লেখ রয়েছে ‘তুমি বল, আল্লাহর হাত থেকে কে তোমাদের রক্ষা করতে পারে যদি তিনি তোমাদের কোনো শান্তি দিতে চান? অথবা তিনি যদি তোমাদের প্রতি কৃপা করতে চান তবে কে এ থেকে তোমাদের বঞ্চিত করতে পারে? আর তারা নিজেদের জন্য আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো অভিভাবক বা কোনো সাহায্যকারীও খুঁজে পাবে না।’ (সুরা আহজাব, আয়াত : ১৭)
এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ মূলত কিয়ামতের পূর্বাভাস। বিশ্বনবি ও শ্রেষ্ঠনবি হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিয়ামতের যে কয়টি লক্ষণ বাতলে গেছেন, তার মধ্যে একটি হলো, কিয়ামতের আগে ভূমিকম্প বেড়ে যাবে। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসুল করিম (সা.) বলেছেন, কিয়ামত ততক্ষণ পর্যন্ত হবে না, যে পর্যন্ত না ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে, খুনখারাবি বৃদ্ধি পাবে এবং তোমাদের ধন-সম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে তা উপচে পড়বে।’ (বুখারি, হাদিস : ১০৩৬)
অপর এক হাদিসে এসেছে, অশ্লীলতা, মাদকদ্রব্য গ্রহণ ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যাপকতাই এর মূল কারণ। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘এ উম্মত ভূমিকম্প, বিকৃতি এবং পাথরবর্ষণের মুখোমুখি হবে। একজন সাহাবি জিজ্ঞাসা করলেন, কখন সেটা হবে হে আল্লাহ রাসুল? তিনি বলেন, যখন গায়িকা এবং বাদ্যযন্ত্রের প্রকাশ ঘটবে এবং মদপানের সয়লাব হবে। (তিরমিজি : ২২১২)
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পৃথিবীতে কেন আজাব-গজব পাঠান সে সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন স্থানে বর্ণনা করা হয়েছে। একটা বিষয় সবার বোঝা উচিত, কেন বারবার আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে আজাবের কথা উল্লেখ করলেন? তিনি যেহেতু রহমানুর রাহিম, তিনি চান না যে, তার বান্দা কোনোভাবে কষ্টে নিপতিত হোক। তাই তিনি বারবার সতর্ক করেছেন, যেন তার বান্দারা সঠিক পথে পরিচালিত হয়।
ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানার ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করেও যদি আমাদের হুঁশ না হয় তাহলে আর কবে আমাদের হুঁশ হবে? তাই সময় থাকতেই আমাদের দোষ-ত্রুটির জন্য পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে এবং সৎ পথে জীবন পরিচালনা করার অঙ্গীকার করতে হবে।
আল্লাহপাক আমাদেরকে তার আজাব থেকে রক্ষা করুন এবং ক্ষমা করুন, আমিন।
লেখক: প্রাবন্ধিক, ইসলামী চিন্তাবিদ।
[email protected]
এইচআর/জেআইএম
What's Your Reaction?