ভূমিকম্পে কাঁপল কাশ্মীর
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর এলাকা। সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল চার দশমিক ৬। স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল বারামুল্লা জেলার পাত্তান এলাকা।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত এই ভূমিকম্পে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার মাত্রা সম্প্রতি বেড়ে যাওয়ায় এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলছে। এ দুর্যোগের ইতিহাস পর্যালোচনা হচ্ছে। মূলত ১৯০০ সাল থেকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে ভূমিকম্পের রেকর্ড রাখা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস। ১২৫ বছরের মধ্যে রেকর্ডে থাকা সবচেয়ে বিধ্বংসী ১০ ভূমিকম্পের তালিকা তাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি হয়েছে ১৯৬০ সালে চিলির বিওবিও প্রদেশে। এটি ‘ভালদিভিয়া ভূমিকম্প’ বা ‘গ্রেট চিলিয়ান আর্থকোয়াক’ হিসেবে
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর এলাকা। সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল চার দশমিক ৬। স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল বারামুল্লা জেলার পাত্তান এলাকা।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত এই ভূমিকম্পে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার মাত্রা সম্প্রতি বেড়ে যাওয়ায় এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলছে। এ দুর্যোগের ইতিহাস পর্যালোচনা হচ্ছে। মূলত ১৯০০ সাল থেকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে ভূমিকম্পের রেকর্ড রাখা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস। ১২৫ বছরের মধ্যে রেকর্ডে থাকা সবচেয়ে বিধ্বংসী ১০ ভূমিকম্পের তালিকা তাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি হয়েছে ১৯৬০ সালে চিলির বিওবিও প্রদেশে। এটি ‘ভালদিভিয়া ভূমিকম্প’ বা ‘গ্রেট চিলিয়ান আর্থকোয়াক’ হিসেবে পরিচিত। ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৫, যা প্রায় ১০ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল। এতে নিহত হয়েছিলেন ১ হাজার ৬৫৫ জন মানুষ এবং বাস্তুচ্যুত হন কমপক্ষে ২০ লাখ মানুষ।
১৯৬৪ সালে ইতিহাসের দ্বিতীয় বিধ্বংসী ভূমিকম্পটি হয়েছিল আলাস্কায়। ৯ দশমিক ২ মাত্রার সেই ভূমিকম্প এবং তার জেরে সৃষ্ট সুনামিতে নিহত হয়েছিলেন ১৩০ জন এবং আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল ২৩০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ।
২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর সুমাত্রা দ্বীপে আঘাত হেনেছিল তৃতীয় শক্তিশালী ভূমিকম্পটি। ৯ দশমিক ১ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটি ১০ মিনিটেরও বেশি স্থায়ী ছিল, যা সবচেয়ে দীর্ঘতম সময়ের ভূমিকম্প। ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বিশ্বের ১৪টি দেশে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটায়। এটি বক্সিং ডে সুনামি নামেও পরিচিত। কোথাও কোথাও ৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে ঢেউ আছড়ে পড়ে, বাড়িঘর ধ্বংস করে মানুষজনকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এতে বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন ১১ লাখের বেশি মানুষ।
তবে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির দিক দিয়ে সবচেয়ে বিধ্বংসী ভূমিকম্প ছিল ১৫৫৬ সালের চীনের শানসি প্রদেশে আঘান হানা দুর্যোগটি। এতে প্রাণ হারায় ৮ লাখ ৩০ হাজার মানুষ। দ্বিতীয় বিধ্বংসী ভূমিকম্পটিও চীনে। ১৯৭৬ সালে দেশটির তাংশানে প্রাণ হারায় ২ লাখ ৫৫ হাজার মানুষ। ১১৩৮ সালে সিরিয়ার আলেপ্পোর ভূমিকম্পে নিহত হয় ২ লাখ ৩০ হাজার। ১৯২০ সালে চীনের হাইয়ুহানের ভূমিকম্পে প্রাণ হারায় দুই লাখ। ৮৫৬ সালে ইরানের দামঘানে ভূমিকম্পেও দুই লাখ লোক মারা যায়। ১৯২৭ সালে চীনের তাইওয়ানে ভূমিকম্পে ২ লাখ লোকের প্রাণহানি হয়। ৮৯৩ সালে আর্মেনিয়ার বার্শের ভূকিম্পে মারা যায় দশ লাখ মানুষ। ১৯২৩ সালের ভূমিকম্পে জাপানের কান্তোয় মারা যায় ১ লাখ ৪৩ হাজার মানুষ। ১৯৪৮ সালের ভূমিকম্পে তুর্কিমেনিস্তানের আশগাবাদে মৃত্যু ঘটে ১ লাখ ১০ লাখের বেশি মানুষের আর ১৯০৮ সালে ইতালির মেসিনায় প্রাণ হারায় লাখখানেক মানুষ।