ভূমিধস জয় পেতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) আগাম নির্বাচনে বড় জয় পেতে যাচ্ছে। দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, ৪৬৫ আসনের নিম্নকক্ষে তাকাইচির জোট পেয়েছে ৩৫২টি আসন। এর মধ্যে এলডিপি একাই পেয়েছে ৩১৬ আসন, যা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করছে। দলীয় প্রধান হওয়ার মাত্র চার মাস পরই জনসমর্থন যাচাই করতে আগাম নির্বাচন ডাকেন তাকাইচি। তার আগে দুর্নীতি কেলেঙ্কারি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার কারণে আগের দুই প্রধানমন্ত্রীর সময় দলটি জনপ্রিয়তা হারিয়েছিল। তবে তাকাইচির ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। জাপান ইনোভেশন পার্টি জোটের অংশ হিসেবে প্রায় ৩৬টি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো মিলিয়ে পেয়েছে ১১৩টি আসন। ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হলে তাকাইচি তার রক্ষণশীল নীতি বাস্তবায়নে আরও শক্ত অবস্থানে থাকবেন। এই জয়ে বিশ্বনেতারাও তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে জনপ্রিয় নেতা বলে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এই ফলকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেছেন। তুষারপাতে
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) আগাম নির্বাচনে বড় জয় পেতে যাচ্ছে। দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, ৪৬৫ আসনের নিম্নকক্ষে তাকাইচির জোট পেয়েছে ৩৫২টি আসন। এর মধ্যে এলডিপি একাই পেয়েছে ৩১৬ আসন, যা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করছে।
দলীয় প্রধান হওয়ার মাত্র চার মাস পরই জনসমর্থন যাচাই করতে আগাম নির্বাচন ডাকেন তাকাইচি। তার আগে দুর্নীতি কেলেঙ্কারি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার কারণে আগের দুই প্রধানমন্ত্রীর সময় দলটি জনপ্রিয়তা হারিয়েছিল। তবে তাকাইচির ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
জাপান ইনোভেশন পার্টি জোটের অংশ হিসেবে প্রায় ৩৬টি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো মিলিয়ে পেয়েছে ১১৩টি আসন। ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হলে তাকাইচি তার রক্ষণশীল নীতি বাস্তবায়নে আরও শক্ত অবস্থানে থাকবেন।
এই জয়ে বিশ্বনেতারাও তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে জনপ্রিয় নেতা বলে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এই ফলকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেছেন।
তুষারপাতের মধ্যেও ভোট দিতে বের হন জাপানের মানুষ। পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হলেও ভোটারদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। তরুণ ভোটারদের সমর্থন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা তাকাইচির জনপ্রিয়তা বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তাকাইচি অভিবাসন নীতি কঠোর করা, কর ও ব্যয়নীতি পরিবর্তন এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে সমালোচকরা বলছেন, কর কমানো ও ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনা জাপানের অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি করতে পারে। তার এই বড় জয় দেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে নতুন দিক নির্ধারণ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?