ভূরুঙ্গামারীতে কোরবানির চামড়া সংরক্ষণে ১৪ টন লবণ বিতরণ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কোরবানির চামড়া সংরক্ষণের জন্য বিনামূল্যে ১৪ মেট্রিক টন লবণ বিতরণ করা হয়েছে। রোববার (২৪ মে) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (মাদরাসা) এই লবণ বিতরণ করা হয়।উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক মোহসিনুল ইসলাম, ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল হক, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মিজানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, "কোরবানির চামড়া জাতীয় সম্পদ। সঠিক নিয়মে চামড়া সংরক্ষণ না করলে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়। এ বছর সরকার চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে লবণ বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্ধারিত পরিমাণে লবণ ব্যবহার করলে চামড়া নষ্ট হবে না।"উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ বলেন, পশু জবাইয়ের পর বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেললে পরিবেশ দূষণ ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। ইমাম, খতিব, মাদরাসা প্রধান

ভূরুঙ্গামারীতে কোরবানির চামড়া সংরক্ষণে ১৪ টন লবণ বিতরণ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কোরবানির চামড়া সংরক্ষণের জন্য বিনামূল্যে ১৪ মেট্রিক টন লবণ বিতরণ করা হয়েছে। রোববার (২৪ মে) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (মাদরাসা) এই লবণ বিতরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক মোহসিনুল ইসলাম, ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল হক, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মিজানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, "কোরবানির চামড়া জাতীয় সম্পদ। সঠিক নিয়মে চামড়া সংরক্ষণ না করলে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়। এ বছর সরকার চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে লবণ বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্ধারিত পরিমাণে লবণ ব্যবহার করলে চামড়া নষ্ট হবে না।"

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ বলেন, পশু জবাইয়ের পর বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেললে পরিবেশ দূষণ ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। ইমাম, খতিব, মাদরাসা প্রধান ও এতিমখানাসহ জনপ্রতিনিধিদের সচেতনতা বাড়াতে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow