ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের আগে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল গুগল, বেঁচে যায় হাজারো প্রাণ
ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে আঘাত হানা ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬৪ জন নিহত এবং ৯৭১ জন আহত হওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে গুগলের ভূমিকম্প সতর্কতা ব্যবস্থা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বেশ কয়েকজন ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, ভূমিকম্প আঘাত হানার কয়েক সেকেন্ড বা মিনিট আগে তারা গুগলের জরুরি সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন, যা অনেক মানুষের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেছে। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, গুগলের ভূমিকম্প সতর্কতা আজ ভেনেজুয়েলায় অনেক মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। ভূমিকম্পের কয়েক সেকেন্ড আগে আমার স্মার্টফোনে তীব্র অ্যালার্ম বেজে ওঠে। এর ফলে আমি দ্রুত বাগানে বের হয়ে যেতে পেরেছি। আরেকটি পোস্টে বলা হয়, গুগল খুবই বুদ্ধিমান একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছে। তারা হাজার হাজার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অ্যাক্সিলোমিটারকে বৈশ্বিক ভূমিকম্প শনাক্তকারী নেটওয়ার্ক হিসেবে ব্যবহার করছে। সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে সময়মতো সতর্কবার্তা পাঠানো সম্ভব হয়েছে। গুগলের অ্যান্ড্রয়েড আর্থকোয়েক অ্যালার্টস সিস্টেম বিশ্বের কোটি কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনকে একটি বিশাল ভূমিকম্প শনাক্তকারী নেটওয়ার্কে পরিণত করেছে।
ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে আঘাত হানা ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬৪ জন নিহত এবং ৯৭১ জন আহত হওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে গুগলের ভূমিকম্প সতর্কতা ব্যবস্থা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বেশ কয়েকজন ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, ভূমিকম্প আঘাত হানার কয়েক সেকেন্ড বা মিনিট আগে তারা গুগলের জরুরি সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন, যা অনেক মানুষের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেছে।
একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, গুগলের ভূমিকম্প সতর্কতা আজ ভেনেজুয়েলায় অনেক মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। ভূমিকম্পের কয়েক সেকেন্ড আগে আমার স্মার্টফোনে তীব্র অ্যালার্ম বেজে ওঠে। এর ফলে আমি দ্রুত বাগানে বের হয়ে যেতে পেরেছি।
আরেকটি পোস্টে বলা হয়, গুগল খুবই বুদ্ধিমান একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছে। তারা হাজার হাজার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অ্যাক্সিলোমিটারকে বৈশ্বিক ভূমিকম্প শনাক্তকারী নেটওয়ার্ক হিসেবে ব্যবহার করছে। সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে সময়মতো সতর্কবার্তা পাঠানো সম্ভব হয়েছে।
গুগলের অ্যান্ড্রয়েড আর্থকোয়েক অ্যালার্টস সিস্টেম বিশ্বের কোটি কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনকে একটি বিশাল ভূমিকম্প শনাক্তকারী নেটওয়ার্কে পরিণত করেছে।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে থাকা অ্যাক্সিলোমিটার সেন্সর ভূমিকম্পের প্রাথমিক কম্পন বা সিসমিক তরঙ্গ শনাক্ত করতে পারে। কোনো এলাকায় একাধিক ফোন একই ধরনের কম্পন শনাক্ত করলে সেই তথ্য গুগলের সার্ভারে পাঠানো হয়।
এরপর গুগল বিভিন্ন ডিভাইস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে ভূমিকম্পের অবস্থান ও সম্ভাব্য মাত্রা নির্ধারণ করে। শক্তিশালী কম্পন পৌঁছানোর আগেই আশপাশের ব্যবহারকারীদের কাছে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়।
এই প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো, এমন দেশ ও অঞ্চলে ভূমিকম্পের আগাম সতর্কতা পৌঁছে দেওয়া; যেখানে ব্যয়বহুল ঐতিহ্যবাহী ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক নেই। ২০২১ সালে চালু হওয়ার পর থেকে গুগলের এই সতর্কতা ব্যবস্থা প্রায় ১০০টি দেশে সম্প্রসারিত হয়েছে।
গুগলের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত এই ব্যবস্থা ১৮ হাজারের বেশি ভূমিকম্প শনাক্ত করেছে এবং ২ হাজারের বেশি উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে আগাম সতর্কবার্তা জারি করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বিশ্বজুড়ে ইতোমধ্যে প্রায় ৭৯০ মিলিয়ন সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। এর ফলে ২০১৯ সালে যেখানে মাত্র ২৫ কোটি মানুষের কাছে ভূমিকম্প আগাম সতর্কতা পৌঁছানোর সুযোগ ছিল, বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২৫০ কোটিতে পৌঁছেছে।
ভেনেজুয়েলার সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের ক্ষেত্রেও অনেক ব্যবহারকারী সময়মতো সতর্কবার্তা পাওয়ার দাবি করলেও, ঠিক কতজন এ সুবিধা পেয়েছেন বা কত প্রাণ রক্ষা পেয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সূত্র : ফার্স্টপোস্ট
What's Your Reaction?