ভেনেজুয়েলায় নির্বাচন নিয়ে আলোচনা এখনই নয় : মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ভেনেজুয়েলায় নিকোলাস মাদুরোর ক্ষমতাচ্যুতির পর কবে নির্বাচন হবে, এ নিয়ে এখনই আলোচনা করা ‘অপরিপক্ব’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের বর্তমান অগ্রাধিকার নির্বাচন নয়, বরং কারাকাসে থাকা নেতৃত্বকে প্রয়োজনীয় নীতিগত পরিবর্তনে বাধ্য করা।
রোববার মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল এনবিসির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেস’ এ এক প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, ভেনেজুয়েলায় কত দ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় এখনও আসেনি।
তিনি বলেন, এই মুহূর্তে এসব আলোচনা আমার কাছে অপরিপক্ব মনে হচ্ছে।
রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নজর এখনো সেসব সমস্যার দিকেই, যেগুলো মাদুরোর শাসনামলে তৈরি হয়েছিল এবং যেগুলো এখনও পুরোপুরি সমাধান হয়নি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষায়, মাদুরো ক্ষমতায় থাকার সময় যে সমস্যাগুলো ছিল, সেগুলোর অনেকগুলোই এখনও রয়ে গেছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য সংশ্লিষ্টদের সুযোগ দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তন নিশ্চিত করা।
ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো ও নির্বাচন প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক
ভেনেজুয়েলায় নিকোলাস মাদুরোর ক্ষমতাচ্যুতির পর কবে নির্বাচন হবে, এ নিয়ে এখনই আলোচনা করা ‘অপরিপক্ব’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের বর্তমান অগ্রাধিকার নির্বাচন নয়, বরং কারাকাসে থাকা নেতৃত্বকে প্রয়োজনীয় নীতিগত পরিবর্তনে বাধ্য করা।
রোববার মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল এনবিসির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেস’ এ এক প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, ভেনেজুয়েলায় কত দ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় এখনও আসেনি।
তিনি বলেন, এই মুহূর্তে এসব আলোচনা আমার কাছে অপরিপক্ব মনে হচ্ছে।
রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নজর এখনো সেসব সমস্যার দিকেই, যেগুলো মাদুরোর শাসনামলে তৈরি হয়েছিল এবং যেগুলো এখনও পুরোপুরি সমাধান হয়নি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষায়, মাদুরো ক্ষমতায় থাকার সময় যে সমস্যাগুলো ছিল, সেগুলোর অনেকগুলোই এখনও রয়ে গেছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য সংশ্লিষ্টদের সুযোগ দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তন নিশ্চিত করা।
ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো ও নির্বাচন প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে যখন নানা জল্পনা চলছে, তখন রুবিওর এই বক্তব্য স্পষ্ট করে দিল, ওয়াশিংটন আপাতত নীতিগত সংস্কার ও স্থিতিশীলতার দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।