ভোটকেন্দ্র থেকে নির্বাচনী সীল উধাও

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্রের নির্ধারিত কক্ষ থেকে নির্বাচনী সীল উধাও হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ভোটার ও সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তবে এ বিষয়ে প্রিজাইডিং অফিসার অবগত নন বলে জানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহাম্মদপুর ইউনিয়নের আহাম্মদপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১২৮ নম্বর কেন্দ্রের ৭ নম্বর পুরুষ কক্ষ থেকে ব্যালট পেপারে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত একটি সীল উধাও হয়ে যায়। কেন্দ্রের ৭ নম্বর কক্ষের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আতিকুর রহমান বলেন, 'ভোটাররা ব্যালট পেপারে ব্যবহারের জন্য আমাদের কক্ষে দুটি সীল দেওয়া হয়েছিল। তবে কোন ভোটার সীলটি নিয়েছে, তা শনাক্ত করতে পারিনি।' অন্যদিকে প্রিজাইডিং অফিসার ও চরফ্যাশন সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. রোকনুজ্জামান বলেন, 'এ বিষয়ে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আমাকে অবগত করেননি। যেহেতু সীলটি হারিয়ে গেছে, এখন কিছু করার নেই।' এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, নির্বাচন চলাকালীন এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এটি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি অপচেষ্টা হতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও

ভোটকেন্দ্র থেকে নির্বাচনী সীল উধাও

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্রের নির্ধারিত কক্ষ থেকে নির্বাচনী সীল উধাও হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ভোটার ও সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তবে এ বিষয়ে প্রিজাইডিং অফিসার অবগত নন বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহাম্মদপুর ইউনিয়নের আহাম্মদপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১২৮ নম্বর কেন্দ্রের ৭ নম্বর পুরুষ কক্ষ থেকে ব্যালট পেপারে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত একটি সীল উধাও হয়ে যায়।

কেন্দ্রের ৭ নম্বর কক্ষের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আতিকুর রহমান বলেন, 'ভোটাররা ব্যালট পেপারে ব্যবহারের জন্য আমাদের কক্ষে দুটি সীল দেওয়া হয়েছিল। তবে কোন ভোটার সীলটি নিয়েছে, তা শনাক্ত করতে পারিনি।'

অন্যদিকে প্রিজাইডিং অফিসার ও চরফ্যাশন সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. রোকনুজ্জামান বলেন, 'এ বিষয়ে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আমাকে অবগত করেননি। যেহেতু সীলটি হারিয়ে গেছে, এখন কিছু করার নেই।'

এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, নির্বাচন চলাকালীন এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এটি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি অপচেষ্টা হতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লোকমান জানান, 'ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রিজাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow