ভোটকেন্দ্র থেকে ৪০০ গজ মেপে অভিনব প্রতিবাদ সাংবাদিকদের

ভোটকেন্দ্র থেকে ৪০০ গজ মেপে সীমানা নির্ধারণ করে অভিনব প্রতিবাদ জানালেন মফস্বল সাংবাদিকরা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাংবাদিকরা ফিতা হাতে নিয়ে ভোটকেন্দ্রের চারপাশে ৪০০ গজ এলাকা মেপে দেখান।  তারা বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হলে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে। কর্মসূচিতে উপস্থিত সাংবাদিক তানভীর তুহিন বলেন, মফস্বল এলাকার সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ, তথ্য যাচাই, লাইভ আপডেট দেওয়া এবং দ্রুত অফিসে সংবাদ পাঠানোর জন্য পুরোপুরি মোবাইল ফোনের ওপর নির্ভরশীল। মোবাইল ছাড়া সাংবাদিকতা কল্পনাই করা যায় না। এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের জন্য চরম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। তিনি বলেন, নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়

ভোটকেন্দ্র থেকে ৪০০ গজ মেপে অভিনব প্রতিবাদ সাংবাদিকদের

ভোটকেন্দ্র থেকে ৪০০ গজ মেপে সীমানা নির্ধারণ করে অভিনব প্রতিবাদ জানালেন মফস্বল সাংবাদিকরা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাংবাদিকরা ফিতা হাতে নিয়ে ভোটকেন্দ্রের চারপাশে ৪০০ গজ এলাকা মেপে দেখান। 
তারা বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হলে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।

কর্মসূচিতে উপস্থিত সাংবাদিক তানভীর তুহিন বলেন, মফস্বল এলাকার সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ, তথ্য যাচাই, লাইভ আপডেট দেওয়া এবং দ্রুত অফিসে সংবাদ পাঠানোর জন্য পুরোপুরি মোবাইল ফোনের ওপর নির্ভরশীল। মোবাইল ছাড়া সাংবাদিকতা কল্পনাই করা যায় না। এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের জন্য চরম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়া হলে সাধারণ মানুষের সঠিক তথ্য জানার অধিকার ক্ষুণ্ন হবে।

অপর এক সাংবাদিক রাকিবুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় মোবাইল ফোনই মফস্বল সাংবাদিকদের প্রধান কর্মযন্ত্র। এ অবস্থায় মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের একটি বড় অংশ পেশাগতভাবে কার্যত অচল হয়ে পড়বে। এতে শুধু সাংবাদিকরাই নয়, পুরো গণমাধ্যম ব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সাংবাদিকরা জানান, নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়ার পরিপন্থি। তারা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

কর্মসূচি চলাকালে সাংবাদিকরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি উপস্থাপন করেন এবং ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow