ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধ, ইসিতে যাচ্ছে রাজনৈতিক দলের নেতারা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্দেশনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাংবাদিক সংগঠন। সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একটি প্রতিনিধি দল সিইসির সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।  প্রতিনিধি দলে যারা থাকার কথা রয়েছে তারা হলেন- জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও মোবারক হোসাইন, এনসিপির পক্ষে আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া ও ফয়সল মাহমুদ শান্ত। এছাড়াও আলতাফ হোসাইন (এবি পার্টি), তফাজ্জল হোসেন মিয়াজী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), কাজী মিনহাজুল আলম (খেলাফত মজলিস), প্রিন্সিপাল মাহবুবুর রহমান (এলডিপি), ইন্জিনিয়ার শহীদুল আলম ভূঁইয়া (বিডিপি), খন্দকার সিরাজুল ইসলাম (বাংলাদেশ লেবার পার্টি), নজরুল ইসলাম বাবু (জাগপা বাংলাদেশ) এ দলে থাকবেন বলে জানা গেছে। এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা বিষয়টি নিয়ে ইসিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাবেন বলেও জানিয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধ, ইসিতে যাচ্ছে রাজনৈতিক দলের নেতারা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্দেশনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাংবাদিক সংগঠন।

সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একটি প্রতিনিধি দল সিইসির সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। 

প্রতিনিধি দলে যারা থাকার কথা রয়েছে তারা হলেন- জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও মোবারক হোসাইন, এনসিপির পক্ষে আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া ও ফয়সল মাহমুদ শান্ত। এছাড়াও আলতাফ হোসাইন (এবি পার্টি), তফাজ্জল হোসেন মিয়াজী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), কাজী মিনহাজুল আলম (খেলাফত মজলিস), প্রিন্সিপাল মাহবুবুর রহমান (এলডিপি), ইন্জিনিয়ার শহীদুল আলম ভূঁইয়া (বিডিপি), খন্দকার সিরাজুল ইসলাম (বাংলাদেশ লেবার পার্টি), নজরুল ইসলাম বাবু (জাগপা বাংলাদেশ) এ দলে থাকবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা বিষয়টি নিয়ে ইসিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘এটা মোটেও সঠিক সিদ্ধান্ত নয়। এর মাধ্যমে কোনো গোষ্ঠীকে বিশেষ কোনো সুবিধা দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে কি না, এটা আমরা সন্দেহ করি। মানুষের নিরাপত্তার জন্যও সঙ্গে ফোন থাকা প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘আর মোবাইল ফোনটা মানুষ কোথায় রাখবে? এটা মোটেও গ্রহণযোগ্য না। অবিলম্বে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা উচিত। আমার বিকেলে ১১ দলের পক্ষ থেকে ইসিতে যাব। সেখানে বিষয়টি নিয়ে কথা বলব।’

এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত বলেন, বুথের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না— এমনটা হলেও মানা যেত। কিন্তু ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার কোনো যুক্তি নেই। তার মানে, সবাই বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে ভোটকেন্দ্রে যাবে? এটা কেমন কথা!

তিনি বলেন, ‘সরকারি লোকজন ছাড়া কেউ মোবাইল ফোন রাখতে পারবে না, এটা অ্যাবসার্ড। ভোটকেন্দ্রে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার ডকুমেন্টেশন হবে কী করে? ভোটারের মোবাইল ফোনে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই সুযোগ বন্ধ করার চেষ্টা অহেতুক।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow