ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে খেলাফত মজলিসের প্রতিক্রিয়া

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবার ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে খেলাফত মজলিস। দলটি বলছে, নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত করতে পারে এবং ভোটারদের অংশগ্রহণেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের এসব কথা বলেন। বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ভোটারদের মোবাইল ফোন না রাখার নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে নাগরিক সাংবাদিকতা ব্যাহত হবে এবং ভোটের দিন দুষ্কৃতিকারীদের অনিয়ম করা আরও সহজ হয়ে উঠতে পারে। ভোটাররা অনিয়মের অভিযোগ করলেও তার পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা কঠিন হয়ে পড়বে। তারা আরও বলেন, মোবাইল ফোন ছাড়া দূরবর্তী এলাকার ভোটাররা বাসা থেকে বের হতে শঙ্কাবোধ করতে পারেন কিংবা অনেকে বেরই হবেন না। এতে ভোটার উপস্থিতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। এছাড়া যারা মোবাইল ফোন সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে যাবেন, তাদেরও

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে খেলাফত মজলিসের প্রতিক্রিয়া
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবার ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে খেলাফত মজলিস। দলটি বলছে, নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত করতে পারে এবং ভোটারদের অংশগ্রহণেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের এসব কথা বলেন। বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ভোটারদের মোবাইল ফোন না রাখার নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে নাগরিক সাংবাদিকতা ব্যাহত হবে এবং ভোটের দিন দুষ্কৃতিকারীদের অনিয়ম করা আরও সহজ হয়ে উঠতে পারে। ভোটাররা অনিয়মের অভিযোগ করলেও তার পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা কঠিন হয়ে পড়বে। তারা আরও বলেন, মোবাইল ফোন ছাড়া দূরবর্তী এলাকার ভোটাররা বাসা থেকে বের হতে শঙ্কাবোধ করতে পারেন কিংবা অনেকে বেরই হবেন না। এতে ভোটার উপস্থিতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। এছাড়া যারা মোবাইল ফোন সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে যাবেন, তাদেরও বাইরে পরিচিত বা অপরিচিত কারও কাছে মোবাইল জমা রেখে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে অস্বস্তি হতে পারে। বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় অভিযোগ করেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ইন্টারনেট শাটডাউনের নতুন রূপের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে খেলাফত মজলিস নির্বাচন কমিশনের প্রতি এ নির্দেশনা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি, মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার প্রয়োজন হলে কেবল ভোটকক্ষ বা গোপন বুথে প্রবেশের আগে পোলিং কর্মকর্তার কাছে মোবাইল জমা রাখার বিধান করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। ভোটগ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow