ভোটকেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি সিএমআরইউর

ভোটকেন্দ্রের আশপাশের ৪০০ গজ এলাকায় মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি (সিএমআরইউ)। সংগঠনটি অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এথিক্স জানা ও প্রাতিষ্ঠানিক মোবাইল সাংবাদিকদের কাজের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। সিএমআরইউর দপ্তর সম্পাদক আবুল হাসনাত মিনহাজের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সিএমআরইউ নেতারা বলেন, বর্তমান বিশ্বে মোবাইল সাংবাদিকতা কেবল একটি বিকল্প মাধ্যম নয়, বরং দ্রুত, স্বচ্ছ ও তাৎক্ষণিক তথ্যপ্রবাহের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। জুলাই আন্দোলনসহ দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় মোবাইল সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের সাংবাদিকতাকে দৃশ্যমান করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এমন এক সময়ে যখন সারা বিশ্বের মানুষ বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে এবং একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে, তখন লাইভ ও তাৎক্ষণিক তথ্যপ্রবাহের প্রধান মাধ্যম মোবাইল সাংবাদিকতাকে কার্যত সীমাবদ্ধ করে দেওয়া একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। এতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও

ভোটকেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি সিএমআরইউর

ভোটকেন্দ্রের আশপাশের ৪০০ গজ এলাকায় মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি (সিএমআরইউ)। সংগঠনটি অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এথিক্স জানা ও প্রাতিষ্ঠানিক মোবাইল সাংবাদিকদের কাজের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

সিএমআরইউর দপ্তর সম্পাদক আবুল হাসনাত মিনহাজের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সিএমআরইউ নেতারা বলেন, বর্তমান বিশ্বে মোবাইল সাংবাদিকতা কেবল একটি বিকল্প মাধ্যম নয়, বরং দ্রুত, স্বচ্ছ ও তাৎক্ষণিক তথ্যপ্রবাহের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। জুলাই আন্দোলনসহ দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় মোবাইল সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের সাংবাদিকতাকে দৃশ্যমান করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এমন এক সময়ে যখন সারা বিশ্বের মানুষ বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে এবং একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে, তখন লাইভ ও তাৎক্ষণিক তথ্যপ্রবাহের প্রধান মাধ্যম মোবাইল সাংবাদিকতাকে কার্যত সীমাবদ্ধ করে দেওয়া একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। এতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

সিএমআরইউ মনে করে, মোবাইল সাংবাদিকরাই সবচেয়ে দ্রুত মাঠপর্যায়ের তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেন এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাদের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করলে তথ্যপ্রবাহ সংকুচিত হবে এবং গণতান্ত্রিক চর্চা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, একটি মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে নিজেকে সাংবাদিক দাবি করা কিছু ব্যক্তির কারণে নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন হতে পারে এটি অস্বীকার করা যায় না। তবে সেই অজুহাতে প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্রধারী, প্রশিক্ষিত ও সাংবাদিকতার নৈতিকতা অনুসরণকারী মোবাইল সাংবাদিকদের একইভাবে বাধাগ্রস্ত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

চট্টগ্রাম মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি (সিএমআরইউ) নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, স্পষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে দায়িত্বশীল ও প্রাতিষ্ঠানিক মোবাইল সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রের আশপাশে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এই সিদ্ধান্ত দেশ ও বিদেশে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলবে।

সংগঠনটি স্পষ্ট করে জানায়, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা সংকুচিত করে কখনোই সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে মুক্ত ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার বিকল্প নেই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow