ভোটের মাধ্যমে দেশের আগামীর রূপরেখা নির্ধারিত হবে: আসিফ মাহমুদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির পর নির্ধারিত হবে আগামীর বাংলাদেশ কীভাবে পরিচালিত হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে, নির্বাচনের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশের রূপরেখা নির্ধারিত হবে। শনিবার (৩১ (জানুয়ারি) বিকেলে ভালুকা বাসস্ট্যান্ড স্মৃতিসৌধ চত্বরে ১১ দলীয় জোট মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী ডা. জাহিদুল ইসলামের নির্বাচনি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। আসিফ মাহমুদ বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটারদের কেন্দ্র থেকে ফিরে আসতে হয়েছে। তারা দেখেছে তাদের ভোট অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে। তারা দেখেছে, কেন্দ্রে মারামারি, হানাহানি হয়েছে। ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। সেটা আর তারা দেখতে চায় না। ১১ দলীয় জোট ও ১১ দলীয় জোটের সব নেতাকর্মী তাদের ভোটাধিকার রক্ষা করবে। তিনি বলেন, ১২ তারিখ আমাদের দ্বায়িত্ব শুধু ভোটাধিকার প্রয়োগ করা নয়। আমাদের দ্বায়িত্ব ১৮ কোটি মানুষের দেশে ১২ কোটি ভোটারের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। ভালুকায় নানান সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ভালুকায় কল কলকারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান হয়েছে। ক
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির পর নির্ধারিত হবে আগামীর বাংলাদেশ কীভাবে পরিচালিত হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে, নির্বাচনের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশের রূপরেখা নির্ধারিত হবে।
শনিবার (৩১ (জানুয়ারি) বিকেলে ভালুকা বাসস্ট্যান্ড স্মৃতিসৌধ চত্বরে ১১ দলীয় জোট মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী ডা. জাহিদুল ইসলামের নির্বাচনি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটারদের কেন্দ্র থেকে ফিরে আসতে হয়েছে। তারা দেখেছে তাদের ভোট অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে। তারা দেখেছে, কেন্দ্রে মারামারি, হানাহানি হয়েছে। ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। সেটা আর তারা দেখতে চায় না। ১১ দলীয় জোট ও ১১ দলীয় জোটের সব নেতাকর্মী তাদের ভোটাধিকার রক্ষা করবে।
তিনি বলেন, ১২ তারিখ আমাদের দ্বায়িত্ব শুধু ভোটাধিকার প্রয়োগ করা নয়। আমাদের দ্বায়িত্ব ১৮ কোটি মানুষের দেশে ১২ কোটি ভোটারের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা।
ভালুকায় নানান সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ভালুকায় কল কলকারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান হয়েছে। কিন্তু স্থানীয়দের সেখানে চাকরি হচ্ছে না। শ্রমিকরা নিয়মিত বেতন পাচ্ছে না। বনভূমি উজার ও পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। চাষের জমি নষ্ট হচ্ছে। এখানে কর্মসংস্থানের সমস্যা রয়েছে, মাদকের সমস্যা রয়েছে, জুয়ার সমস্যা রয়েছে, রাস্তা-ঘাটের সমস্যা রয়েছে। এখানে শিল্পায়নের মাধ্যমে ধনীরা আরও ধনী হচ্ছে। কিন্তু মেহনতি মানুষ, বেকার মানুষ বেকারই রয়ে যাচ্ছে। ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নির্বাচিত হলে ভালুকার সব সমস্যা সমাধান করা হবে।
এসময় জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনিরা শারমিন, জাতীয় যুব শক্তির মুখ্য সংগঠক ফরহাদ সোহেল, ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম, ময়মনসিংহ জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল করিম, ভালুকা উপজেলা জামায়াতের আমির সাইফ উল্লাহ পাঠান ফজলু, খেলাফত মজলিস ভালুকা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মামুনুর রশীদ খান, এনসিপির ভালুকা উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার উদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। পরে ভালুকা বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি পথযাত্রা বের করা হয়।
কামরুজ্জামান মিন্টু/এমএন/এএসএম
What's Your Reaction?