ভোটের স্মৃতিকে ধরে রাখতে নতুন ভোটারদের হাতে মেহেদীর আলপনা

নির্বাচনের আমেজ নতুন ভোটারদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘মেহেদী উৎসব’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থীসহ জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরাও অংশ নেন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের শহীদ মিনার চত্বরে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। ব্যতিক্রমী এই আয়োজন নিয়ে আসিয়া আখতার তুলি নামের এক তরুণী বলেন, গত কয়েকটি নির্বাচনে আমরা প্রকৃত অর্থে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাইনি। ভোটের দিন এলেও কেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ বা পরিবেশ কোনোটাই ছিল না। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন। চারদিকে মানুষের মধ্যে ভোটার হওয়ার একটি নতুন উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তরুণদের পাশাপাশি বয়স্করাও ভোট নিয়ে আলোচনা করছেন, ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ কথা মাথায় নিয়ে আজকের এই মেহেদী উৎসবের আয়োজন। সুমাইয়া রেজা নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, নতুন দেশে নতুন ভোটের হিসেবে ভোট দিতে পারব—এই ভাবনাটাই খুব ভালো লাগছে। ভোট দেওয়াটা যেন আমাদের জন্য এক ধরনের উৎসবের মতো হয়ে উঠেছে। সে কারণেই আমরা সবাই মিলে হাতে মেহেদি দিচ্ছি। ঈদের দিনের মতো করে হাতে মেহেদি

ভোটের স্মৃতিকে ধরে রাখতে নতুন ভোটারদের হাতে মেহেদীর আলপনা

নির্বাচনের আমেজ নতুন ভোটারদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘মেহেদী উৎসব’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থীসহ জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরাও অংশ নেন।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের শহীদ মিনার চত্বরে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়।

ব্যতিক্রমী এই আয়োজন নিয়ে আসিয়া আখতার তুলি নামের এক তরুণী বলেন, গত কয়েকটি নির্বাচনে আমরা প্রকৃত অর্থে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাইনি। ভোটের দিন এলেও কেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ বা পরিবেশ কোনোটাই ছিল না। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন। চারদিকে মানুষের মধ্যে ভোটার হওয়ার একটি নতুন উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তরুণদের পাশাপাশি বয়স্করাও ভোট নিয়ে আলোচনা করছেন, ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ কথা মাথায় নিয়ে আজকের এই মেহেদী উৎসবের আয়োজন।

ভোটের স্মৃতিকে ধরে রাখতে নতুন ভোটারদের হাতে মেহেদীর আলপনা

সুমাইয়া রেজা নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, নতুন দেশে নতুন ভোটের হিসেবে ভোট দিতে পারব—এই ভাবনাটাই খুব ভালো লাগছে। ভোট দেওয়াটা যেন আমাদের জন্য এক ধরনের উৎসবের মতো হয়ে উঠেছে। সে কারণেই আমরা সবাই মিলে হাতে মেহেদি দিচ্ছি। ঈদের দিনের মতো করে হাতে মেহেদি দিয়ে, আনন্দ আর আশা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমাদের কাছে এই ভোট শুধু একটি অধিকার নয়, বরং নতুন দেশের পথে এগিয়ে যাওয়ার একটি স্মরণীয় মুহূর্ত।

আয়োজক সাব্বির আহমেদ বলেন, মেহেদী উৎসবে হাতে হাতে বিভিন্ন প্রতীক ও স্লোগান দিয়ে মেহেদী দেন শিক্ষার্থীরা। এমন উৎসবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর ভোটের আমেজ তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের আবহে ঈদের মতো উৎসব তৈরি হয়েছে। তরুণ সমাজকে ইতিবাচক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতেই এই মেহেদি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

সোহান মাহমুদ/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow