ভোলায় খামারিদের প্রশিক্ষণ ও ইনপুট বিতরণ অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন এবং খামারিদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে “কার্বন নিঃসরণরোধী পশুখাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল মহিষ পালন সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এবং বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট এর অর্থায়নে ভোলায় “খামারিদের প্রশিক্ষণ ও ইনপুট বিতরণ” শীর্ষক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ড. মোছা. সুমনা আক্তার, প্রকল্প পরিচালক ,কার্বন নিঃসরণরোধী পশুখাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল মহিষ পালন সম্প্রসারণ প্রকল্প । অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ভোলা মোঃ রফিকুল ইসলাম খাঁন। এছাড়াও ভোলা সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ শাহিন মাহমুদ, চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোঃ রাজন আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে মিশ্র পদ্ধতিতে ঘাস চাষ,কার্বন নি: সরণ, মহিষ পালন, রোগব্যাধি প্রতিরোধ, সুষম খাদ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক খামার পরিচালনা এবং জলবায়ু সহনশীল প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে খামারিদের হাতে-কলমে ধারণা প্র
প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন এবং খামারিদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে “কার্বন নিঃসরণরোধী পশুখাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল মহিষ পালন সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এবং বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট এর অর্থায়নে ভোলায় “খামারিদের প্রশিক্ষণ ও ইনপুট বিতরণ” শীর্ষক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ড. মোছা. সুমনা আক্তার, প্রকল্প পরিচালক ,কার্বন নিঃসরণরোধী পশুখাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল মহিষ পালন সম্প্রসারণ প্রকল্প ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ভোলা মোঃ রফিকুল ইসলাম খাঁন। এছাড়াও ভোলা সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ শাহিন মাহমুদ, চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোঃ রাজন আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণে মিশ্র পদ্ধতিতে ঘাস চাষ,কার্বন নি: সরণ, মহিষ পালন, রোগব্যাধি প্রতিরোধ, সুষম খাদ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক খামার পরিচালনা এবং জলবায়ু সহনশীল প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে খামারিদের হাতে-কলমে ধারণা প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে ভোলার সকল উপজেলার মোট ৮৪৭ জন খামারিদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ছিল প্রদর্শনী সাইনবোর্ড, গলাফোলা ও ক্ষুরা রোগের ভ্যাকসিন, কৃমিনাশক এবং ভিটামিন-মিনারেল প্রিমিক্স।
এছাড়াও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভোলা সদর, চরফ্যাশন ও বোরহানউদ্দিন উপজেলায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে মহিষ পালন কার্যক্রমের অগ্রগতি, খামারিদের অংশগ্রহণ এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র পর্যবেক্ষণ করা হয়।
এ সময় ডকুমেন্টারি টিমকে মহিষ পালন সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম যথাযথভাবে ডকুমেন্টেশন এবং গণমাধ্যমে প্রচারের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ খামারিদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
What's Your Reaction?