ভ্রমণে বৃষ্টিভেজা একদিন
কোনো এক ভরদুপুর। হঠাৎ আকাশের দিকে তাকাতেই আপনি দেখলেন কালো মেঘের বিচরণ। বিদ্যুৎ গতিতে মেঘ যেন পুরো আকাশকে ঢেকে ফেললো নিমিষেই। এমন একটা সময়কে বেছে নিয়ে চলে যেতে পারেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। সবুজ প্রকৃতির মধ্যে বর্ষার স্নিগ্ধতা দেখতে চাইলে ক্যাম্পাসটির জুড়ি নেই। বৃষ্টিময় জাবিতে উপস্থিত হলে আপনার মনে হবে, গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহ আর তাপদাহে উত্তপ্ত প্রকৃতিকে ঠান্ডা ও শীতলতার পরশ দিতেই হাজির হয়েছে মেঘ-বর্ষা। ঘনকালো মেঘের বুক চিরে ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টির ছোঁয়া পেয়ে মুখরিত মনে হবে চারপাশ। বর্ষায় এ ক্যাম্পাসে প্রাণের সঞ্চার ঘটে। প্রাণে এনে দেয় সজীবতা। লাল-সবুজের আস্তরণে নির্মিত জাবি ক্যাম্পাসে নতুন মাত্রা যোগ করে প্রাণের বর্ষা। সবুজের আবরণ ভেদ করে বৃষ্টির ফোঁটায় নিমজ্জিত হয় ক্যাম্পাসের পিচঢালা রাস্তাগুলো। ঝিরঝির বাদলে ক্যাম্পাসের লাল ইটের দেওয়ালগুলো যেন নতুন রূপে সাজে। ক্যাম্পাসের লেকগুলো জলে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। বৃষ্টি হলে কবি যেখানে সবাইকে ঘরের মধ্যে থাকতে অনুরোধ করেছেন; সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ-তরুণীরা মাতেন বৃষ্টিভেজা উৎসবে। কেউবা দলবেঁধে অবিরাম বারিধারায় মাতেন, কেউ
কোনো এক ভরদুপুর। হঠাৎ আকাশের দিকে তাকাতেই আপনি দেখলেন কালো মেঘের বিচরণ। বিদ্যুৎ গতিতে মেঘ যেন পুরো আকাশকে ঢেকে ফেললো নিমিষেই। এমন একটা সময়কে বেছে নিয়ে চলে যেতে পারেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। সবুজ প্রকৃতির মধ্যে বর্ষার স্নিগ্ধতা দেখতে চাইলে ক্যাম্পাসটির জুড়ি নেই।
বৃষ্টিময় জাবিতে উপস্থিত হলে আপনার মনে হবে, গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহ আর তাপদাহে উত্তপ্ত প্রকৃতিকে ঠান্ডা ও শীতলতার পরশ দিতেই হাজির হয়েছে মেঘ-বর্ষা। ঘনকালো মেঘের বুক চিরে ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টির ছোঁয়া পেয়ে মুখরিত মনে হবে চারপাশ।
বর্ষায় এ ক্যাম্পাসে প্রাণের সঞ্চার ঘটে। প্রাণে এনে দেয় সজীবতা। লাল-সবুজের আস্তরণে নির্মিত জাবি ক্যাম্পাসে নতুন মাত্রা যোগ করে প্রাণের বর্ষা। সবুজের আবরণ ভেদ করে বৃষ্টির ফোঁটায় নিমজ্জিত হয় ক্যাম্পাসের পিচঢালা রাস্তাগুলো। ঝিরঝির বাদলে ক্যাম্পাসের লাল ইটের দেওয়ালগুলো যেন নতুন রূপে সাজে। ক্যাম্পাসের লেকগুলো জলে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
বৃষ্টি হলে কবি যেখানে সবাইকে ঘরের মধ্যে থাকতে অনুরোধ করেছেন; সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ-তরুণীরা মাতেন বৃষ্টিভেজা উৎসবে। কেউবা দলবেঁধে অবিরাম বারিধারায় মাতেন, কেউ রঙিন ছাতা হাতে বের হন বর্ষা বরণে। টিপ টিপ বৃষ্টি আর ঠান্ডা শীতল হাওয়া, যেন প্রকৃতিকে গ্রাস করে এখানে। হলের ছাদে তরুণের দল বৃষ্টির সঙ্গে মেতে ওঠেন।
- আরও পড়ুন
সিলেটে ঘুরতে গিয়ে যা দেখা গেল
বৃষ্টির দিনে এ ক্যাম্পাস যেন নতুন বেশ ধারণ করে। সতেজ হয়ে ওঠে গাছপালা। গাছে গাছে নতুন সবুজ পাতা দেখা যায়। এখানে আছে অসংখ্য কদম, হিজল আর জারুল গাছ। কদম গাছে কদম ফুল, হিজল বাগানে হিজল আর জারুল গাছে জারুল ফোটে বর্ষায়। কদম ফুলের সাদা-হলুদের বাহারি মিশ্রণ ক্যাম্পাসজুড়ে শোভা ছড়ায়। ঝিরঝির বৃষ্টিতে গাছে গাছে বসে বর্ষার সংগীত উৎসব। পাখিরা যেন গ্রীষ্মের হাফ ছেড়ে বৃষ্টির তালে তালে নৃত্য পরিবেশন করে। বৃষ্টি শুরু হলে থই থই করে ক্যাম্পাসের লেকগুলো। এসব দৃশ্য কেবল নিজ চোখে দেখলেই বোঝা যাবে।
ক্যাম্পাস জীবনের আনন্দময়তায় বর্ষাকাল যেন নতুন মাত্রা যোগ করে। বৃষ্টির দিনে তারুণ্যের মাঝে ভিন্ন ধরনের উল্লাস চোখে পড়ে। এদিনে টিএসসি, বটতলা, পরিবহন চত্বর, মুরাদ চত্বর, চায়ের দোকান ও আবাসিক হলগুলো বেশি মুখর থাকে। কেউবা বই পড়ে সময় পার করেন, কেউ আবার গিটারের টুংটাং শব্দে গান-আড্ডায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অনেকে ক্যামেরা হাতে বেরিয়ে পড়েন বৃষ্টিস্নাত দুপুরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। কেউ আপন মনে ছবি আঁকতে শুরু করেন।
বৃষ্টি যেন প্রকৃতির প্রাণ। সেই বৃষ্টি যদি হয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে, তাহলে তরুণ মনে দেয় ভালোবাসার দোলা। ব্যস্ত ক্যাম্পাসে হঠাৎ বৃষ্টি যেন এনে দেয় গম্ভীর নীরবতা। তাই চলুন, একদিন একবেলা বৃষ্টি দেখে আসুন জাবি ক্যাম্পাসে।
এসইউ
What's Your Reaction?