‘ভয়াবহ খাদ্য ভেজালের কারণেই সে মারা গেছে’

খাদ্যে ভয়াবহ ভেজাল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়েছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব কবীর মিলন। তার দাবি, ভয়াবহ খাদ্য ভেজালের কারণেই মানুষের মৃত্যু ঘটছে। এ বিষয়ে ১৪ জানুয়ারি রাত পৌনে আটটায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দেন তিনি। মাহবুব কবীর মিলন লিখেছেন, ‘যে-যে কারণেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করুক না কেন, আমি বলবো ভয়াবহ খাদ্য ভেজালের কারণেই সে মারা গিয়েছে। কারণ আমার কথা মিথ্যা, সেটা প্রমাণ করার ক্ষমতা আপনার নেই। কারণ রাষ্ট্র আকাশ পরিমাণ ভেজাল থেকে তার জনগণকে মুক্ত রাখার কোনো ব্যবস্থাই চুল পরিমাণ গ্রহণ করেনি বা চেষ্টা করেনি বা যা করছে তা শুধু লোক দেখানো। কারণ রাষ্ট্র তার আমানত রক্ষা করেনি। রাষ্ট্র তার দায়িত্ব পালন করেনি। কাজেই কেউ হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকে মারা গেলে আপনি বা রাষ্ট্র বলতে পারবেন না, সে তার দোষেই মারা গেছে। এসব বুজরুকি কথাবার্তা অন্তত আমার সামনে বলবেন না প্লিজ। আরও পড়ুনহয় রেললাইন দুই নম্বর, না হয় ইঞ্জিন বা কোচ দুই নম্বর ‘সব রাজনৈতিক দলের কাছে এটা সতর্কবার্তা’  একটা নিরিবিলি ছোট্ট জেলা, যেখানে কোনো শিল্প কারখানা নেই। দূষিত নদী নেই। সেখানকার সব সবজিতে

‘ভয়াবহ খাদ্য ভেজালের কারণেই সে মারা গেছে’

খাদ্যে ভয়াবহ ভেজাল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়েছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব কবীর মিলন। তার দাবি, ভয়াবহ খাদ্য ভেজালের কারণেই মানুষের মৃত্যু ঘটছে। এ বিষয়ে ১৪ জানুয়ারি রাত পৌনে আটটায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দেন তিনি।

মাহবুব কবীর মিলন লিখেছেন, ‘যে-যে কারণেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করুক না কেন, আমি বলবো ভয়াবহ খাদ্য ভেজালের কারণেই সে মারা গিয়েছে। কারণ আমার কথা মিথ্যা, সেটা প্রমাণ করার ক্ষমতা আপনার নেই। কারণ রাষ্ট্র আকাশ পরিমাণ ভেজাল থেকে তার জনগণকে মুক্ত রাখার কোনো ব্যবস্থাই চুল পরিমাণ গ্রহণ করেনি বা চেষ্টা করেনি বা যা করছে তা শুধু লোক দেখানো। কারণ রাষ্ট্র তার আমানত রক্ষা করেনি। রাষ্ট্র তার দায়িত্ব পালন করেনি।

কাজেই কেউ হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকে মারা গেলে আপনি বা রাষ্ট্র বলতে পারবেন না, সে তার দোষেই মারা গেছে। এসব বুজরুকি কথাবার্তা অন্তত আমার সামনে বলবেন না প্লিজ।

আরও পড়ুন
হয় রেললাইন দুই নম্বর, না হয় ইঞ্জিন বা কোচ দুই নম্বর 
‘সব রাজনৈতিক দলের কাছে এটা সতর্কবার্তা’ 

একটা নিরিবিলি ছোট্ট জেলা, যেখানে কোনো শিল্প কারখানা নেই। দূষিত নদী নেই। সেখানকার সব সবজিতে যদি নিরাপদ মাত্রার চেয়ে গড়ে ২০০ গুণ বেশি লেড বা সীসা পাওয়া যায়, তাহলে আমাদের এবং আমাদের সন্তানদের অবস্থা কী হতে পারে! মশকরা করেন আমাদের সাথে!

না কর্মরত কোনো সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাকে খাদ্যে ভেজাল নিয়ে বলতে বা লিখতে দেখি। না অবসরপ্রাপ্ত কাউকে। না কোনো সেলেব্রিটিকে। না কোনো কবি, সাহিত্যিক, লেখক, গবেষক, ব্যবসায়ী। না কোনো রাজনীতিবিদ, না কোনো ছাত্রনেতাকে। না কোনো রাজনৈতিক দলকে। (সামান্য দুই একজন ব্যতিক্রম)।

বিকলাঙ্গ, অসুস্থ, ধ্বজভঙ্গ পুরো জাতিটাই ভেজাল খাদ্যের কারণে হাসপাতাল, ডাক্তার আর ওষুধের দোকানের ওপর টিকে আছে। সেলুকাস! কী বিচিত্র এই দেশ!’

এসইউ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow