মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করলেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে করা হয়নি বলে জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি বলেছেন, চুক্তিটি মূলত সম্মিলিত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে ন্যাটো চুক্তির ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের মতোই।
শনিবার আনাদোলু এজেন্সির ‘এডিটরস ডেস্ক’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ফিদান বলেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্য ও আশপাশের অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতায় অবদান রাখা।
তিনি বলেন, চুক্তিতে কোনো অভিন্ন হুমকির নাম উল্লেখ করা হয়নি। কোনো দেশ চুক্তির স্বাক্ষরকারী কোনো রাষ্ট্রের ওপর হামলা না করলে এই চুক্তি সেই দেশকে লক্ষ্য করে কোনো পদক্ষেপ নেবে না বলেও জানান তিনি।
ফিদান বলেন, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির অনেক আগেই এই উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। সে সময় ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে বর্তমান সংঘাতও ছিল না। তবে তুরস্ক ধারণা করেছিল, ভবিষ্যতে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগের পরিবর্তন হতে পারে এবং নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইও এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে থেক
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে করা হয়নি বলে জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি বলেছেন, চুক্তিটি মূলত সম্মিলিত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে ন্যাটো চুক্তির ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের মতোই।
শনিবার আনাদোলু এজেন্সির ‘এডিটরস ডেস্ক’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ফিদান বলেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্য ও আশপাশের অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতায় অবদান রাখা।
তিনি বলেন, চুক্তিতে কোনো অভিন্ন হুমকির নাম উল্লেখ করা হয়নি। কোনো দেশ চুক্তির স্বাক্ষরকারী কোনো রাষ্ট্রের ওপর হামলা না করলে এই চুক্তি সেই দেশকে লক্ষ্য করে কোনো পদক্ষেপ নেবে না বলেও জানান তিনি।
ফিদান বলেন, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির অনেক আগেই এই উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। সে সময় ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে বর্তমান সংঘাতও ছিল না। তবে তুরস্ক ধারণা করেছিল, ভবিষ্যতে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগের পরিবর্তন হতে পারে এবং নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইও এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে থেকে যাবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান সম্প্রসারণবাদী নীতি অনুসরণ করে না বলেও মন্তব্য করেন ফিদান।
তিনি বলেন, তিন দেশই নিজেদের সীমান্ত, অভ্যন্তরীণ সমস্যা ও উন্নয়ন নিয়ে বেশি মনোযোগী। একই সঙ্গে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে নিজেদের অঞ্চলে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার চেষ্টা করে তারা।
ফিদানের ভাষায়, তিন দেশের সামরিক সক্ষমতা ও কৌশলগত পদ্ধতিতে পার্থক্য থাকলেও একসঙ্গে কাজ করলে এটি স্বাভাবিকভাবেই একটি প্রতিরক্ষামুখী জোটে পরিণত হবে, আক্রমণাত্মক কোনো সংগঠনে নয়।
তিনি আরও বলেন, কোনো দেশের পক্ষ থেকে চুক্তির কোনো সদস্যের ওপর অভ্যন্তরীণ বা আঞ্চলিক যে কোনো ধরনের হামলা না হলে এই জোটের সঙ্গে সেই দেশের কোনো বিরোধ সৃষ্টি হওয়ার কারণ নেই। তবে তিন দেশের সম্মিলিত সক্ষমতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি